মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

/ সাহিত্য
আমার দেশ তোমার দেশ, স্বাধীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। ১৮কোটি মানুষ ১৩শত নদী বহমান, মহান দেশের মহান নেতা জিয়াউর রহমান। বহুদলীয় গণতন্ত্রের ধারক-বাহক যিনি, ছাত্রদলের রক্তকনায় জেগে আছেন তিনি। তাইতো আমরা গাই আরোও পড়ুন...
সবার সেরা স্বদেশে সংকীর্ণ সালিশে, সহস্র স্বদেশী সন্তান স্বলোকে সহিদান সেনা সৈনিক সোল্ডেড স্বার্থ সুবাসে, সেরা সন্ত্রাস সেনাপ্রধানের সেই সম্মান। স্বাধীন স্বদেশে সমৃদ্ধ সন্ত্রাস শৈরচার, সাক্ষ্যিসমেত সম্বলহীন স্বার্থান্ধ সুবিচার। সৈর-শাষকের
কিছুদিন আগে পরিচিত এক বড় ভাই বিয়ে করছেন। উনার স্ত্রী এখনো স্টুডেন্ট। তাই তারা দু-জন দুই জায়গায় থাকেন। উনার স্ত্রী মেসে(হোস্টেলে)থাকুক উনার পরিবার এটা পছন্দ করছেন না,তাই উনি ভাবছেন স্ত্রীর
রাত পোহালেই ভোর হয়ে যায়- ঘোর কাঁটেনা তবু, নিত্যদিনই শখের খেলায়- মজে আছি প্রভু। তাসের ঘরে রঙ তামাশা- রঙের মাঝেই তাস, স্বাধীনতার জন্য আজও- পরছে লক্ষ লাশ। করুন সুরে কোটি
কবি নই শুধু কবিতাকে ভালোবেসে লিখে যাই গুণগান তোমার তারার আলো দিয়ে জোছনা আলো দিয়ে শূন্যে উড়াই আমার আঁচলখানি আকাশ কুসুম ভাবনাতে শুধু তোমায় নিয়ে প্রেমের শরাব পিয়ে। কবি নই
অজস্র কবিতায় থেমে যাক অন্তমিল বানানের তর্জনী ঘেঁষে বিস্তীর্ণ হোক স্বভাব। আক্ষেপের দেয়াল জুড়ে হিংসা শাসন বানানের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পরিচয়। এবার সেনা শাসনে আবার উচিৎ মন্ত্র চুপ করে বসে থাকা
আমরাও কিন্তু লিখতে জানি করতে পারি প্রতিবাদ। শক্ত হাতে ঝাণ্ডা তুলে করতেও জানি প্রতিঘাত। কাব্য দিয়ে করবো ঘায়েল লোভে যাদের স্বভাব-টা। কণ্ঠ জুড়ে বজ্র সুরে চোখে দেখো জবাব-টা। আমরা নাকি
ছুটির দিনের সকালে একটু থামা,বিচ্ছিন্ন বিরাম, নতুন ভাবে শ্বাস ভরে নেওয়া,কিছুটা আরাম, অবসরের পেয়ালা, হালকা চুমুক চায়ে, অঘ্রাণী ফুলকো লুচি, আলু কপি ভাঁজা, পত্রিকা সরগরম, তরজা তাজা, আড্ডা গুলতানি, হরেক