মানুষ ব্যস্ত—ক্ষমতা, খ্যাতি আর দুনিয়ার হিসাব নিয়ে। কিন্তু এমন এক দিন আসবে, যেদিন কোনো পরিচয় কাজ করবে না, কোনো নামও নয়। সেদিন শুধু আমল কথা বলবে। সেই দিনের নাম—মৃত্যু-পরবর্তী জবাবদিহি। আরোও পড়ুন...
ইসলাম ধর্মে নেতৃত্ব একটি বড় দায়িত্ব ও আমানত। এটি সম্মান বা পদমর্যাদা নয়, বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রদত্ত একটি পরীক্ষা। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কোরআন ও হাদীস সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে—যে
চকচকে স্বর্ণের অলংকারে আমরা দেখি সৌন্দর্যের ছটা, সামাজিক মর্যাদার প্রতীক। কিন্তু এই ঝলকের আড়ালে লুকিয়ে আছে প্রতারণার অন্ধকার গল্প, যা সাধারণ মানুষ খুব একটা জানে না কিংবা জানতে চায় না।
মসজিদ ইসলামের এমন এক পবিত্র স্থান, যেখানে মুসলমানরা আল্লাহর ইবাদত করে, ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য—সব মসজিদে নামাজ কবুল হয় না। ইসলাম এমন কিছু মসজিদের কথা উল্লেখ
মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ নিয়ামত হলো জীবন ও স্বাস্থ্য। ইসলাম মানুষের জীবন ও দেহকে আল্লাহর এক মহামূল্যবান আমানত হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাই নিজের জীবন রক্ষা করা এবং রোগ-ব্যাধি থেকে বাঁচার প্রচেষ্টা করা
মানুষের সম্মান, মর্যাদা ও সুনাম রক্ষা করা ইসলামের অন্যতম মৌলিক শিক্ষা। ইসলাম এমন এক জীবনব্যবস্থা, যা কেবল ইবাদত নয়—সমাজে ন্যায়, সত্য ও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেয়। তাই ইসলাম
ইসলাম এমন একটি ধর্ম যা জ্ঞান ও শিক্ষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। কুরআনের প্রথম শব্দই হলো “اقرأ” — অর্থাৎ “পড়ো”। আল্লাহ তাআলা মানুষকে জ্ঞানের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। “তিনি আদমকে
দুনিয়া হলো অস্থায়ী আবাসস্থল। এখানে মানুষ আসে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য, চিরস্থায়ী সুখ ভোগ করার জন্য নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, “আর দুনিয়ার জীবন খেল-তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। আর অবশ্যই পরকালই