রোজা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ করা হয়েছে। এর প্রতিদান স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা তার নিজ হাতেই প্রদান করবেন। তবে রমজান মাসে যারা এই ফরজ এবাদাত থেকে দূরে থাকবেন তাদের জন্য আছে আরোও পড়ুন...
আল্লাহ তাআলা পরিপূর্ণ হেকমত অনুযায়ী রোযার বিধান জারী করেছেন। তিনি রোযাদারকে ভারসাম্য রক্ষা করে রোযা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন; একদিকে যাতে রোযা রাখার কারণে রোযাদারের শারীরিক কোন ক্ষতি না হয়। অন্যদিকে
মুসলিমদের জন্য রমজান মাস অনেক পবিত্র মাস।সাহরী খাবার খেয়ে সারাদিন উপবাস থেকে সন্ধা সময় ইফতারির মধ্য দিয়ে রোযা পালন করে।এক মাত্র মহান রবকে রাজি খুশি করার জন্যই সিয়াম পালন করা
চাঁদ দেখার মাধ্যমেই রোজার আনন্দের দোর খোলে। রমজানের প্রথম দিনেই সাহরীর আনন্দে গোটা পাড়া কোলাহলে মেতে উঠে।প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর যুগ থেকেই আমরা সাহরীর গ্রহণের মাধ্যমে রোজার নিয়ত
রোববার সৌদি আরবের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। সেই হিসেবে দেশটিতে সোমবার (১২ এপ্রিল) শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। ফলে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) থেকে সৌদিতে রোজা শুরু
রমজান মাস। আরবি মাসসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বরকতময় ও মর্যাদাপূর্ণ মাস। এ মাসের গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য অপরিসীম। দুনিয়ার কোনো সম্পদের সঙ্গে আল্লাহর এ অনুগ্রহের তুলনা চলে না। রমজানের আগমনে বিশ্বনবি অনেক
ইসলাম মানুষকে প্রয়োজনীয় সব বিষয়ের সচেতনার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে। কেননা সচেতনা ছাড়া মানুষ ইসলামের কোনো বিধানই পালন করতে পারবে না, পালন করা সম্ভবও হবে না। যেমন, অজু করতে হলে তাকে
দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা অনিয়ম, অসংযমী কাজ করে ফেলি। আমরা অধৈর্য হয়ে পড়ি এবং অন্যায় বা গুনাহের কাজে নিজেকে জড়িয়ে ফেলি। অনেক সময় আমরা বিপদে পড়েও ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। এ