বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

/ অন্যান্য
ব্রিটিশ শাসনের অত্যাচারের অতিষ্ঠ হয়ে এ ভূখন্ডের মানুষ জাতিভেদে তাঁদের দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন,  হে সৃষ্টিকর্তা এমন একজন মহামানবের জন্ম দাও,  যে মানুষটি শোষিত শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে রূখে দাঁড়াবে এবং আরোও পড়ুন...
পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের জনগণ যখন সোচ্চার, তখন সেই আন্দোলনকে বেগময় করার লক্ষ্যে পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দও কৃষক, শ্রমিক ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে করে
শীতকাল পেরিয়ে এখন ঋতুরাজ বসন্ত। আর সেই ঋতুরাজ বসন্তের বার্তা ছড়াচ্ছে গ্রামের পথে প্রান্তরে। যেন উদাসী মনে আকাশ পানে চেয়ে আছে সদ্যফোটা বিভিন্ন প্রজাতির ফুল। ঠিক যেনো দল বেঁধেছে। আম,
কেউ একজন ভাড়ায় খাঁইট্যা সংসার চালায়! কেউ একজন ভাড়া করে যৌবন জ্বালায়; আমার বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক,না হোক- আমি এদেশের ছাত্র,কৃষক ও শ্রমিকের লোক। তৈল দিলে গতর বাড়ে,সবজিতে বাড়ে কব্জি;
ছাররে ছাররে ছার এদেশের মায়া ছাড়। বাংলাদেশের বাংলা বাঘ জেগেছে আজ জেগেছে আজ। বজ্ররের মত গজরে তারা এদেশ স্বাধীন করবে তারা। রক্ত যাবে তবুও তারা দমবে নারে, দমবে না। রক্ত
লক্ষ বছরের জীবনে যৌবনে, ভালবাসার আদরে-সোহাগে প্রেমের পরশে পরাগে স্নেহের মৌবনে। ভালবেসে চলে কর্ম যজ্ঞ নিবাসে, অনির্ধারিত প্রতিটি রাত্রি-দিবসে। এ এক হৃদয়ের টান আত্নিক টানাপোড়েন, শ্রদ্ধা-ভালবাসায় টেনে নিয়ে রোমশ বুকের
তুমি এসো প্রেয়সীতমা, এক চিলতে মেঘের ভেলায় এক প্রহরের মিষ্টি ভালোবাসায়। জলে ভেজা রিমঝিম বৃষ্টি ধারায়। উদাসী বিকেলে কিম্বা গোধূলির প্রার্থনায়। ঘুম ঘুম চেতনায়, আবেশে জড়ানো অবসরের আলসেমি অলসতায়। দিনান্তে
১৯৭১সালের ৭ই মার্চ বাঙালি জাতির জীবনে এক ঐতিহাসিক দিন। এই দিবসের পর্যালোচনা করতে গেলে আমাদেরকে ইতিহাসে ফিরে যেতে হয়। কেন সেদিন বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন ? ১৯৪৭ সালের