রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
চাটমোহরে প্রাচীন বটগাছের শিকড় উন্মুক্ত, নদীভাঙনে হুমকির মুখে – রক্ষার দাবি স্থানীয়দের ভারুয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ: এলাকায় উত্তেজনা নাগরপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত সাঁথিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত চাটমোহরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ভাঙ্গুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত চৌহালীতে শহীদের মর্যাদায় পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  অভয়নগরে ভৈরব নদ দখলের মহোৎসব: প্রভাবশালী চক্রের কবলে শিল্পনগরী নওয়াপাড়া

লামায়”সাঙ্গু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন ” বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত 

মোঃ নাজমুল হুদা, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধিঃ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ

বান্দরবানের লামায় “সাঙ্গু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন ” বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) এরিষ্টো ডাইন হল- চকরিয়া, লামা বন বিভাগের আয়োজনে ও SID- CHT Project. Chittagong hill tracts.সহযোগিতায় এ সময় অংশ নেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও প্রকল্প সমন্বয়ক  মোঃ মঈনুদ্দিন খান। এতে সভাপতিত্বে করেন লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল হক বেলাল।
আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন চট্টগ্রাম অঞ্চল বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ দাশ,বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দুই সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মাহবুবুর রহমান ও নারীনেত্রী ফাতেমা পারুল, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জাহেদ উদ্দীন,কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ সরোয়ার আলম,সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারি বনসংরক্ষক, লামা মোঃ গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীসহ বন বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মকর্তা,রেঞ্জ অফিসার,সাংবাদিক, স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধিসহ অনেকেই।
এতে মূল্য উপস্থাপক ছিলেন  CHTWCA, SID-Cht,UNDP, এর বান্দরবান জেলা ব্যবস্থাপক খুশি রায় ত্রিপুরা ও তারেক আকবর।
এসময় কর্মশালায় বক্তারা বলেন, এ সাঙ্গু এলাকার বনায়নটি ২০১০ সালে বন অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়। সে সময় হতে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করায় এখানকার জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য একটি খসড়া পরিকল্পনা প্রণয়ন কাজ চূড়ান্ত করার জন্য আজকের এই “সাঙ্গু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ” বিষয়ক কর্মশালা।
এক্ষেত্রে বিপন্ন বন্যপ্রানী ও বৃক্ষ, লতা,গুল্ম গুলো যদি আমরা রক্ষা করতে না পারি,স্বাভাবিকভাবে এটি পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পাহাড়ের মাটি ও গাছ না কাটা,সেখানে মানুষ ও বন্যপ্রানীদের মধ্যে দ্বন্দ নিরসন ও খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। এটি প্রাকৃতিকভাবে রক্ষা করতে পারলে পার্বত্য অঞ্চলের পানি সংরক্ষণ, ঝিরি-ঝরনা,প্রাকৃতিক অবয়ব,জীববৈচিত্র্য রক্ষাসহ পরিবেশ প্রাণ-প্রকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তারা আরও বলেন, বন বিভাগ,স্থানীয় বাসিন্দা,জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান-কারবারি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, ইউএনডিপি,তাজিংডন, আরও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ মাঠ পর্যায়ে সবার সম্মিলিত মতামতের মাধ্যমে মানুষ ও পরিবেশের উন্নয়ন করা হবে।
 সেক্ষেত্রে বনবিভাগ, স্থানীয় জনগণ ও জীববৈচিত্র্য উন্নয়ন জন্য এ কো-পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়রা উচ্ছেদ করা হবে না, বরং বসবাসকারিদের জীবন-জীবিকা ও উন্নত জীবন-যাপন করার জন্য এ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে সবার সহায়ক ভূমিকা একান্ত কাম্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর