শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
চাটমোহরে প্রাচীন বটগাছের শিকড় উন্মুক্ত, নদীভাঙনে হুমকির মুখে – রক্ষার দাবি স্থানীয়দের ভারুয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ: এলাকায় উত্তেজনা নাগরপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত সাঁথিয়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত চাটমোহরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ভাঙ্গুড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত চৌহালীতে শহীদের মর্যাদায় পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  অভয়নগরে ভৈরব নদ দখলের মহোৎসব: প্রভাবশালী চক্রের কবলে শিল্পনগরী নওয়াপাড়া

চাটমোহরে প্রাচীন বটগাছের শিকড় উন্মুক্ত, নদীভাঙনে হুমকির মুখে – রক্ষার দাবি স্থানীয়দের

মোঃ রাজিব হোসেন, চাটমোহর (পাবনা):
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৫ অপরাহ্ণ

পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের করকোলা  বর্ষা বিরিজের সাথে মোকলেসের বাড়ির পাশে অবস্থিত একটি প্রাচীন বটগাছ এখন নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। কাটা গঙ্গার মুখে এবং ছাওয়ালদহ খালের তীরে দাঁড়ানো এই বটগাছের প্রায় সমস্ত শিকড় মাটির উপর উঠে এসেছে। নদীর ক্রমাগত ভাঙনে গাছের গোড়ার মাটি সরে যাওয়ায় শিকড়গুলো খোলা আকাশের নিচে ঝুলে পড়েছে, যা গাছটির অস্তিত্বের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয়রা জানান, এই বটগাছটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একটি প্রাকৃতিক ছায়াদানকারী ও বিশ্রামস্থল হিসেবে কাজ করে আসছে। নদীপথে চলাচলকারী যাত্রী, সড়কপথের পথচারী এবং সংলগ্ন মাঠে কাজ করা কৃষকেরা প্রচণ্ড রোদ-বৃষ্টিতে এর নিচে বিশ্রাম নেন। একসময় এখানে খেয়াঘাট ছিল, যাত্রীরা খেয়া পারাপারের অপেক্ষায় এই গাছের ছায়ায় বসে থাকতেন। গাছটির বিশাল ছাউনি ও ঘন সবুজ পাতা এলাকার পরিবেশ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে।
গাছের গোড়ায় বিশাল বিশাল শিকড়ের জাল মাটির উপর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। নদীর তীর ঘেঁষে দাঁড়ানো গাছটির চারপাশে এখনো সবুজ ধানক্ষেত ও জলাশয়, কিন্তু ভাঙনের ফলে গোড়ার মাটি প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা মোকলেস হোসেন   বলেন, “এই গাছটি আমাদের এলাকার ঐতিহ্য। এর ছায়ায় কত মানুষের ক্লান্তি দূর হয়েছে। কিন্তু এভাবে চলতে থাকলে যেকোনো সময় গাছটি উপড়ে পড়তে পারে।”
স্থানীয়দের দাবি, গাছটি রক্ষায় অবিলম্বে উদ্যোগ নেওয়া দরকার। গোড়ায় মাটি ভরাট করে এবং মাটি ধরে রাখার জন্য পাকা দেয়াল নির্মাণ করা যেতে পারে, যার সাথে পথচারীদের জন্য আসন বা বেঞ্চও স্থাপন করা যায়। এতে গাছটি সুরক্ষিত হবে এবং বিশ্রামের সুবিধাও বাড়বে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের (উপজেলা প্রশাসন, বন বিভাগ বা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়রা এই প্রাচীন বটগাছটিকে বাঁচানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। এ ধরনের ঐতিহ্যবাহী গাছ রক্ষা করা শুধু পরিবেশের জন্যই নয়, স্থানীয় সংস্কৃতি ও জনজীবনের জন্যও অত্যন্ত জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর