পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের আটঘরিয়া গ্রামের মৃত ওমর আলীর ছেলে শাহ্ আলম সাহান নামে এক প্রবাসী দেশে ফিরে অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে মৎস্য চাষে পথ চলা শুরু করলেন। তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর কুয়েত প্রবাসী ছিলেন। দেশে ফিরে তিনি বেকার জীবন যাপন করছিলেন। বেকারত্বের জীবন থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্ন জনার কাছ থেকে মৎস্য চাষের পরামর্শ নিয়ে নিজ বাড়ির পাশে একটি পুকুর খনন করে মাছ চাষ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। ঔ এলাকার মোঃ সাইফুল ইসলাম শেখ বলেন, শাহ্ আলম সাহান বিদেশ থেকে আসার পর একটি পুকুর খনন করে মাছ চাষ শুরু করেন। পুকুরের পাশের জমিটি নিচু হাওয়ায় বর্ষা মৌসুমে প্রায় সময় পানি জমে থাকে। এই জমিতে ফসল উৎপাদন তেমন কিছু হয় না। সে কারণে জমির চারিদিকে আইল তৈরি করে মাছ চাষের উপযোগী করছেন এই প্রবাসী শাহ্ আলম সাহান। এই জমির চারিদিকে আইল হলে আমাদের তেমন কোন ক্ষতি হবে না। বরং এখানে মাছ চাষ হলে এলাকার বেকার ছেলেদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে বলে আমি মনে করছি। শাহ্ আলম সাহান বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর কুয়েতে প্রবাসী ছিলাম আমি। সে সময় কুয়েত থেকে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছি। দেশে ফিরে এক রকমের বেকার জীবন যাপন করতে ছিলাম। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে এলাকার বিভিন্ন মাছ চাষির কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে নিজ বাড়ির পাশের একটি পুকুর খনন করে অনেক আশা ও স্বপ্ন নিয়ে মৎস্য চাষে পথ চলা শুরু করি। পুকুরের পাশে আমার একটি নিচু জমি রয়েছে। এখানে তেমন কোন ফসল হয় না। জমি নিচু হওয়ার কারণে সারা বছরই জলাবদ্ধ থাকে। সঠিক ভাবে মাছ চাষ করতে পারলে কিছুটা হলেও দেশের আমিষের চাহিদা মেটাতে পারবো বলে আশা পোষণ করছি। আমার পুকুরটি সংস্কারের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যারের কাছে আবেদন করেছি।