বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
পারখিদিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আটোয়ারী উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভা ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত গোপালপুর ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল-২ আসনে ৩৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ সন্ত্রাস-দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম: অধ্যাপক গোলাম রসুল ফরিদপুরে নকল দুধ তৈরির কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালত; ২ লাখ টাকা জরিমানা ও ২ জনের জেল আটঘরিয়ার পুস্তিগাছা বাজার সংলগ্ন পাকা  রাস্তা দখল করে ইটের রমরমা ব্যবসা লামায় অবৈধ ইটভাটায় প্রশাসনের অভিযান ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা

চৌহালীতে ভাঙ্গণ রোধে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

মাহমুদুল হাসান, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৬:১৭ অপরাহ্ণ

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চর নাকালিয়া গ্রামসহ আশপাশের ৭ গ্রামের মানুষ গত শুক্রবার চর নাকালিয়া জামে মসজিদে জুম্মার সামাজ শেষে যমুনা নদীর পাড়ে দাড়িয়ে যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গণ রোধে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত গ্রামগুলো হচ্ছে চর নাকালিয়া, দেওয়ানগঞ্জ, চর বিনানুই, মিটুয়ানি,চর সলিমাবাদ, ভূতের মোড়, রেহাইপপুকুরিয়া। আব্দুল করিম মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন,মওলানা কারী মোঃ নাসির উদ্দিন। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, চর নাকালিয়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মওলানা মোঃ ময়নুল ইসলাম,ব্যবসায়ী আব্দুল বাতেন,দুলাল শেখ,আবু সামা প্রমুখ। বক্তারা বলেন,বর্ষা মৌসুম থেকে চৌহালী উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলে ১০টি গ্রামে ভয়াবহ আকারে যমুনা নদীর ভাঙ্গণ শুরু হয়েছে। এ ভাঙ্গণের তান্ডবে এ সব গ্রামের প্রায় ২ শতাধিক বাড়িঘর,ফসলি জমি,তাঁত কারখানা,প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাখিলমাদরাসা, মসজিদ,কবরস্থান ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। এতে নিঃস্ব হয়ে গেছে প্রায় ২ হাজার মানুষ। তারা আরও বলেন, এই ভাঙ্গণ রোধে সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে আবেদন নিবেদন করেও কোন কাজ হয়নি। তারা এ ভাঙ্গণ রোধে ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোজ খবর নেয়নি। ফলে তাদের কাছে আর নয়, এ ভাঙ্গণ থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে এ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ দোয়া মোনাজাতে আল্লাহ যেনো আমাদের জান-মাল হেফাজত করেন এবং নদী ভাঙ্গন রোধের কামনা করা হয়। এদিকে চর নাকালিয়া ও দেওয়ানগঞ্জ বাজার এলাকার ১০টি বাড়িঘর ও ঘোরজানে মুরাদপুর এলাকায় ৪টি বাড়ি গত ২দিনে যমুনা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়। নিঃস্ব এ সব মানুষ খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মিটুয়ানি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোলাম মস্তফা বলেন, বড় আশা করে ছিলাম নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ হবে। কত প্রতিশ্রুতি শুনলাম কাজ নেই তাই আমাদের পিট দেওয়ালে এখন ৩/৪’শ ছাত্র ছাত্রীর পাঠদান ও বদ্যালয় ঘর নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছি। এ বিষয়ে ঘোরজান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রমজান আলী বলেন,ভাঙ্গণের র্তাডবে আমার বাড়িঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছি। মানুষজন খুবই অসহায় জীবন যাপন করছে। এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার বলেছি। তারা ব্যবস্থা না নেয়ায় আর বলি না। এ বিষয়ে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফসানা ইয়াসমিন বলেন, ভাঙ্গণ কবলিত এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বস্তা ফেলার কাজ অব্যহত আছে। এছাড়া এ ভাঙ্গণ রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে এ বছর ৪৫/৪৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। এটি অনুমোদন হলে আর এ সমস্যা থাকবে না। এছাড়া ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। অচিরেই এদের সাহায্য সহডোগিতা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর