রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :

“চৌহালীতে কে আর পাইলট সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে”  শিক্ষকের অপেক্ষায় ক্লাসে শিক্ষার্থীরা

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ
Oplus_131072

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষকাউলিয়া ইউনিয়নে ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহি খাষকাউলিয়া কে, আর, পাইলট, সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। জনবল সংকটে আজ কালের সাক্ষী হয়ে আছে দাঁড়িয়ে।
শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জনবল নিরাশনে সরকারের কোন জড়ালো ভুমিকা না থাকায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে যার বাস্তবচিত্র সরেজমিন। বর্তমান সময়ে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২জন শিক্ষক  দিয়ে চলছে পাঠদান ফলে শিক্ষক কর্মচারি সংকটে পাড়াশোনা নিয়ে বিপাকে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
“শিক্ষার জন্য এসো-সেবার জন্য বেড়িয়ে যাও” শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, শিক্ষা অর্জনে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অনস্বীকার্য আর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  থেকে ঝরে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। দক্ষিণ সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় খাষকাউলিয়া কে আর পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়টি আজ কালের সাক্ষী।
যমুনা নদী বেষ্টিত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন  গ্রামীন জনঘোষ্টির উচ্চ শিক্ষার কথা বিবেচনা করে  তৎকালীন সময়ে এলাকার একঝাঁক গুনিজনদের নেতৃত্বে  মরহুম আঃ সামাদ মাস্টারের প্রচেষ্টায় ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয় ২০১৮ সালের ১৩  সেপ্টেম্বর জাতীয় করণের আদেশ প্রাপ্ত হয়।  এক সময়ের বেসরকারি শিক্ষা  প্রতিষ্ঠান আজ সরকারি উচ্চ  বিদ্যালয়। অথচ জনবল সংকটে পাঠদান দিন দিন জিমিয়ে পরছে। সরকারের পক্ষ থেকে জড়ালো কোন ভুমিকা না থাকায় এ শিক্ষা অঙ্গনে নেমে এসেছে অন্ধকার। চৌহালীর কে আর পাইলট স্কুলে প্রায় আড়াই’শ ছাত্র ছাত্রীর পাঠদানে রয়েছে ২জন শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের দাবি একটাই তারা শিক্ষক চায়।
 চৌহালীর ঐতিহ্যবাহি বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের পাঠদান অব্যাহত রাখতে দ্রুত শিক্ষক ও জনবল নিয়োগ দিয়ে সরকারি বিদ্যালয় (প্রতিষ্ঠান) বাচান এমনটাই দাবি করেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি, সচেতন মহল ও গুনিজনরা।
সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন,১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়, প্রধান শিক্ষকসহ ৫জন জনবল দিয়ে চলছে পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। শিক্ষক নিয়োগ  দিয়ে  প্রতিষ্ঠান বাচান এমন দাবি অনেক দিনের। অপরুপ সৌন্দর্যের বিদ্যালয়ে ৫ একর ভুমিতে একটি পুকুর, ৪তলা বিশিষ্ট ভবন, ৩টা সেমি ভবন, ২টা টিনসেট ঘর,১টি মসজিদ,অর্ধেক বাউন্ডারি ওয়াল ও খেলার মাঠ রয়েছে। সরকারি বিদ্যালয়ে পর্জপ্ত  জনবল থাকার কথা অথচ ৫ জন স্টাফ দিয়ে চলছে প্রতিষ্ঠান।
 প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাঃ আবুল খায়ের এ প্রতিবেদককে  বলেন, ১৯৮৫ সালে চৌহালীতে এ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করে তা চলে ১৯৯৯সাল পর্যন্ত। জনবল সংকটে কেন্দ্র ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। বিদ্যালয় পরিদর্শন করেও কেউই মনে রাখে না, উপজেলার সাজানো গোছানো পরিপাটি ও মনোনয়ন পরিবেশ অথচ জনবল সংকটে পাঠদানে হোচট খেতে হচ্ছে। শিক্ষক চেয়ে আবেদন করে আসছি। দ্রুত শিক্ষক নিয়োগে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আঃ সালাম  প্রতিদিনের কাগজকে জানান, আমি বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে ক্লাস গিয়ে অবাক চিত্রে পড়া শুনছিলাম, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মেধা ধরে রাখতে দরকার শিক্ষক, বিদ্যালয়টি দেখেছি ছাত্র ছাত্রীদের ক্লাস নেয়ার শিক্ষক নেই।  জনবল সংকট  নিরাশনে জেলা মিটিংয়ে বিষয়টি  তুলে ধরা হবে। এছাড়াও শিক্ষক চেয়ে আবেদন করা হয়েছে,  আশাবাদী অচিরেই শিক্ষক সংকট থাকবে না  ইনশাআল্লাহ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর