শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন

ই-পেপার

লামায় ‘সামাজিক-সম্প্রীতি’ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ নাজমুল হুদা,লামা প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০২২, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ

সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও সামাজিক বন্ধনকে সুসংহত রাখা, ধর্মীয় উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, সহিংসতা এবং সন্ত্রাসবাদকে প্রতিহত করার লক্ষ্যে লামায় ‘সামাজিক-সম্প্রীতি’ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ আগস্ট,২০২২) সকালে লামা উপজেলা পরিষদ  সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন লামা উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কাজী মোঃ শামীম। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লামা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা জামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন
লামা পৌরসভার মেয়র মোঃ জহিরুল ইসলাম, দুই ভাইস চেয়ারম্যান মিল্কী রাণী দাশ, মোঃ জাহেদ উদ্দীন, থানা প্রতিনিধি মোঃ আশরাফুল ইসলাম,দুই ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন, নুরুল হোছাইন চৌধুরী।
আরও উপজেলা আ.লীগের সহ সভাপতি ও লামা মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রশন্ন ভট্টাচার্য, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মন্দির পরিচালনা কমিটির সাঃ সম্পাদক প্রদীপ কান্তি দাশ, লামা বাজার কমিটির সভাপতি আমান উল্লাহ, লামা ফাজিল মা্দাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মওলানা আবু তৈয়ব, লামা কোর্ট মসজিদের ইমাম কারী আজিজুল হকসহ শিক্ষক, হেডম্যান,সাংবাদিক ও কমিটির অন্যান্য সদস্যবর্গ।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ২৪ জুলাই আলাদা তিনটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ধর্মীয় সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে দেশের সব জেলা-উপজেলায় ‘সামাজিক সম্প্রীতি কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। সরকারিভাবে গঠিত জেলা পর্যায়ের কমিটিতে জেলা প্রশাসককে (ডিসি) করা হয়েছে সভাপতি। জেলায় ২৩ সদস্যের কমিটিতে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদের রাখা হয়েছে উপদেষ্টা হিসেবে। পুলিশ সুপারকে রাখা হয়েছে সদস্য।
জেলার বাইরে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও কমিটি গঠন করা হয়েছে। উপজেলা কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন ইউএনও। এ কমিটিতে সদস্য ২৪ জন। ইউএনওর সভাপতিত্বে কমিটিতে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে প্রধান উপদেষ্টা এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে উপদেষ্টা করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটিতে রয়েছেন ১৪ সদস্য। ইউপি চেয়ারম্যান এ কমিটির প্রধান। আর ইউনিয়ন পরিষদের সচিবকে করা হয়েছে সদস্য সচিব।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটির সদস্যরা নিজ নিজ এলাকায় সম্প্রীতি সমাবেশ করবেন। ধর্মীয় সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ প্রতিহত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালাবেন। মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ সব ধর্মীয় স্থাপনায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবে এসব কমিটি। সব ধর্মীয় উৎসব যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় উদযাপনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করবে এসব কমিটি।
এছাড়া ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার রোধে সবাইকে সচেতন করবেন কমিটির সদস্যরা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি নড়াইল, কুমিল্লা,লামাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সনাতন ধর্মবিশ্বাসীদের মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। সবশেষ গত ১৭ জুলাই নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার একটি গ্রামে মন্দিরে হামলা-অগ্নিসংযোগ ঘটানো হয়। এসব ঘটনার পরই মূলত সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষার এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর