মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
গোপালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃ*ত্যু শশুড় বাড়িতে গিয়ে নিখোঁজের দুইদিন পর নদীতে মিলল জাহিদের মরদেহ, দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন হেমনগরে বেলুয়া প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ জমকালো ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী  অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন”

নওগাঁ হাটে খাজনার নামে চাঁদাবাজি ; এ জেনো হরিলুটের খাজা

মোঃ মুন্না হুসাইন, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের নওগাঁ হাটে খাজনা আদায়ের নামে ইজারাদার কর্তৃক জোরপূর্বক ভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও প্রতিবছর সরকার এ হাট থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করছে। আর উপজেলা প্রশাসন বছর শেষে হাট ইজারা দিয়েই যেন তাদের দায়িত্ব শেষ করছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে প্রথম দিনেও প্রশাসনের নাকের ডগায় নওগাঁ হাট চলে, এর সমাধান পাবো কোথায়? এ যেন কালো চশমা পড়ে আছে স্থানীয় প্রশাসন।
জানা যায়, জেলার বৃহত্তম হাট গুলোর মধ্যে এ হাট অত্যতম। চলতি ১৪২৮ বাংলা সনে ভ্যাটসহ তিন কোটি ৫০ লাখ টাকায়, আকবর আলী নামের জনৈক এক ব্যক্তি এক বছরের জন্য টোল আদায়ের ইজারা নেন।
বৃহস্পতিবার (৭জুলাই) সরেজমিন নওগাঁ হাট ঘুরে দেখা যায়, জিন্দানী কলেজ মাঠেও বসেছে গরু-ছাগল, হাট। এই কলেজ চত্বরে রয়েছে মহানমুক্তিযুদ্ধে অন্যতম গেরিলা বাহিনী পলাশডাঙ্গা যুবশিবিরের দর্শনীয় স্মৃতিস্মম্ভ ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। সেসব স্মৃতিচিহ্ণ অপবিত্র করে হরদম চলছে গরু-ছাগল কেনাবেচা। অথচ সরকারি বিধানমতে স্কুল কলেজ মাঠে হাট লাগালো সম্পূর্ণ বেআইনি। হাটের কোথাও টোল চার্ট (মূল্যতালিকা) টাঙানো হয়নি।
এ প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক ড.ফারুক আহম্মদ মুঠোফোনে বলেন, বর্তমান মূল্য তালিকায় প্রতিটি গরু ও মহিষ সর্বেচ্চ ২৫০ টাকা, প্রতিটি ছাগল ও ভেড়া ৫০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। গবাদি পশুর ক্ষেত্রে ক্রেতা শুধু টোল দিবেন।
জেলা প্রশাসকের কথার প্রেক্ষিতে এ হাটে দেখা গেছে সম্পূর্ণ ভিন্নচিত্র। একটি গরু কিনতে ক্রেতার কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা আর বিক্রেতার কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে ১০০ থেকে ২০০ টাকা। ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রে ক্রেতার কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ৩০০-৪০০ টাকা, বিক্রেতার কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে ৫০ টাকা। ক্রেতা কে যে রশিদ দেয়া হচ্ছে তাতে টাকার অঙ্ক লিখে, লেখা হচ্ছে ৩০০ কিন্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে ৪০০ টাকা আবার অন্য রশিদে টাকা অঙ্ক না লিখে দেখানো হচ্ছে পরিশোধ। যা সম্পূর্ণ বেআইনি।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. সেলিম হোসেন বলেন, এখানে প্রশাসনের কোন ভুমিকা নেই। আর নওগাঁ হাটে অনেক ক্রেতা আসেনা অতিরিক্ত খাজনার ভয়ে। এ ভাবেই এক সময়ের প্রসিদ্ধ মির্জাপুর ও প্রতাপ হাট ধ্বংস হয়ে গেছে। তাড়াশ বাজারের মো মোক্তার হোসেন মাস্টার বলেন, আমি একটা ছাগল কিনেছি তার খাজনা দিয়েছি ৪০০ টাকা কিন্ত খাজনা রশিদে দেয়া আছে ৩০০ টাকা।
নওগাঁ জিন্দানী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আবুল কাশেম বলেন, কলেজ মাঠে হাট লাগানোর জন্য কেউ অনুমতি নেয় নি। আগেও টুকটাক হাট বসেছে। তাছাড়া স্থানীয় প্রভাবে অনেক কিছুই বলা যায় না। এদিকে অভিযুক্ত ইজারাদার আকবর আলী বলেন, বহু বছর ধরেই হাটের ইজারাদাররা ওই সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তাদের সাথে আলোচনা করেই বার্ষিক একটা অংকের টোল ধার্য করে তা আদায় করে আসছেন। সে অনুযায়ী তিনি টোল চেয়েছেন।
অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রশাসন ও ক্ষমতাশীন দলের লোকজনকে ম্যানেজ করেই টোল আদায় করছি। তাদেরকে শেয়ারও দিয়েছি। 

 

#CBALO / আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর