বক্তারা বলেন, জীবন অতিষ্ঠ। করোনা আতঙ্ক মনের মধ্যে না থাকলেও আমাদের ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করে দেওয়ার আতঙ্ক সর্বদা বিরাজমান। আমরা প্রায় ৩৫ জন ভাসমান দোকানদার এই সড়কের ধারে দোকান বানিয়ে কোনো রকমে ব্যবসা করে খাচ্ছি। কিন্তু প্রত্যেক মাসে অনন্ত একবার আমাদের দোকান ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি দেয় স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। আমাদের দোকানে তো অনেক টাকার মালামাল রয়েছে। ওই মালামাল মেডিকেলে ভর্তি রোগীর আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বিক্রি করি আমরা। করোনা মহামারীর দিনগুলো কাটিয়ে এখন কিছুটা স্বাচ্ছন্দে আছি আমরা। অথচ তা তাদের সহ্য হয় না। আমাদের এভাবে বারবার না তাড়িয়ে গুলি করে মেরে ফেলুক। তাহলে দোকানও থাকবে না আর আমাদের তাড়াতেও হবে না। প্রশাসন ও জেলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা পরামর্শ করে আমাদের জন্য একটি হর্কাস মাকের্ট তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করুক। আর সেটি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হলে সাতক্ষীরার অধিকার বঞ্চিত শ্রমিকশ্রেণীসহ শোষিত-নিপীড়িত শ্রেণীর সকল মানুষকে সাথে নিয়ে একটি বৃহৎ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করে নিতে বাধ্য হবো আমরা বলে জানান বক্তারা।
#চলনবিলের আলো / আপন