শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
উল্লাপাড়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধা প্রজন্ম দল অফিস উদ্বোধন  শাপলা কলির নির্বাচনী মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত উল্লাপাড়ায় ফকির দরবেশ বাউলদের প্রার্থী আকবর আলীর মতবিনিময় সাইনবোর্ড নেই, মান নেই: নান্দাইলে রাস্তা নির্মাণে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ অভয়নগরে ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ নিজে না দাড়িয়ে অন্যকে প্রার্থী করেছেন যাতে ধানের শীষ হেরে যায়-আটঘরিয়ায় হাবিব পাবনা-৩ এ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাইলেন বিএনপি প্রার্থী হাসান জাফির তুহিন “জাতি ভেদে বৈষম্যের অভিযোগ” ভাঙ্গুড়ায় চরম অবহেলায় নিম্নবর্ণের হিন্দুদের শ্মশান

মেডিকেলে সামনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সমাবেশ ও হ্যান্ডবিল বিতরণ

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ

ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুর্নবাসন করার দাবি ‘‘গরীবদের বাঁচাও, দুনিয়ার মজদুর এক হও, শ্রমিকশ্রেণীসহ শোষিত-নিপীড়িত শ্রেণীকে মুক্ত কর’’ এই স্লোগান হৃদয়ে লালনের মাধ্যমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের সামনে অবস্থিত সড়কের ধারের ভাসমান দোকান উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির এক সমাবেশ ও হ্যান্ডবিল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২৮.১১.২০২১) সন্ধ্যায় মেডিকেলের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশ ও হ্যান্ডবিল বিতরণে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব মুনসুর রহমান, ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শরীফ, রবিউল ইসলাম, পিয়ার মুন্সী প্রমূখ। এসময় ভাসমান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নুর ইসলাম, মিজানুর রহমান মিজান, আকবর, রশিদ, সোহাগ, বাবু, সালাম, শিমুল, সাংবাদিক আবু বক্কর সিদ্দিকী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, জীবন অতিষ্ঠ। করোনা আতঙ্ক মনের মধ্যে না থাকলেও আমাদের ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করে দেওয়ার আতঙ্ক সর্বদা বিরাজমান। আমরা প্রায় ৩৫ জন ভাসমান দোকানদার এই সড়কের ধারে দোকান বানিয়ে কোনো রকমে ব্যবসা করে খাচ্ছি। কিন্তু প্রত্যেক মাসে অনন্ত একবার আমাদের দোকান ভেঙ্গে দেওয়ার হুমকি দেয় স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। আমাদের দোকানে তো অনেক টাকার মালামাল রয়েছে। ওই মালামাল মেডিকেলে ভর্তি রোগীর আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বিক্রি করি আমরা। করোনা মহামারীর দিনগুলো কাটিয়ে এখন কিছুটা স্বাচ্ছন্দে আছি আমরা। অথচ তা তাদের সহ্য হয় না। আমাদের এভাবে বারবার না তাড়িয়ে গুলি করে মেরে ফেলুক। তাহলে দোকানও থাকবে না আর আমাদের তাড়াতেও হবে না। প্রশাসন ও জেলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা পরামর্শ করে আমাদের জন্য একটি হর্কাস মাকের্ট তৈরি করার উদ্যোগ গ্রহণ করুক। আর সেটি করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হলে সাতক্ষীরার অধিকার বঞ্চিত শ্রমিকশ্রেণীসহ শোষিত-নিপীড়িত শ্রেণীর সকল মানুষকে সাথে নিয়ে একটি বৃহৎ ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করে নিতে বাধ্য হবো আমরা বলে জানান বক্তারা।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর