এম এ হান্নান মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলের হাড়বাড়িয়া এলাকায় কয়লা বোঝাই বাল্কহেড ডুবির ঘটনায় নিঁখোজ হওয়া ৫ ষ্টাফের মধ্যে ২ জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে। তবে এখনও নিঁখোজ রয়েছেন ৩ জন। তাদের সন্ধানে দুর্ঘটনাকবলিত এলাকায় অভিযান অব্যাহত রেখেছে কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও স্থানীয় ডুবরি দল। সোমবার রাতে বাল্কহেড ডুবির পর ৫ জন নিঁখোজের ঘটনায় মঙ্গলবার সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। মঙ্গলবার বিকেলে একজন ও সন্ধ্যায় আরো একজনের লাশ উদ্ধার করেছে ডুবরিরা। ঘটনার সময় বাল্কহেডটি ৭ জন ষ্টাফ ছিলেন। দুর্ঘটনাকালে ২ জন উদ্ধার হলেও নিঁখোজ থাকেন ৫ জন। বন্দরের পশুর চ্যানেলের হাড়বাড়িয়ার ৯ নম্বর এ্যাংকরে থাকা একটি বিদেশী জাহাজ থেকে কয়লা বোঝাই করে ছেড়ে আসার পর সেলিং হওয়া অপর একটি বিদেশী জাহাজের সাথে ধাক্কা লেগে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাল্কহেডটি ডুবে যায়। বন্দরের হাড়বাড়িয়ায় অবস্থানরত বিদেশী জাহাজ এম,ভি এলিনাবি থেকে সোমবার রাতে ৬শ থেকে সাড়ে ৬শ মেট্টিক টন কয়লা বোঝাই করে বাল্কহেড এম,ভি ফারদিন। এটির কয়লা নিয়ে ঢাকার মিরপুরের গাবতলীতে যাওয়ার কথা ছিল। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার কমান্ডার শেখ ফখরউদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে ও সন্ধ্যায় দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকী তিনজনের সন্ধানেও অভিযান চলছে। এদিকে বাল্কহেড ডুবে যাওয়ার জায়গায় মঙ্গলবার দুপুরে মার্কিং স্থাপন করা হয়েছে। যাতে সেখানে পুনরায় কোন দুর্ঘটনা না ঘটে। তিনি আরো বলেন, বাল্কহেডটি মুল চ্যানেলের বাহিরে পূর্ব দিকে ডুবেছে, তাতে এ চ্যানেল দিয়ে নৌযান চলাচলে কোন ধরণের সমস্যা হবেনা। চ্যানেল সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৮ অক্টোবর সার নিয়ে বন্দরের পশুর নদীতে ও ৯ অক্টোবর পাথর নিয়ে ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় দুইটি কার্গো জাহাজ ডুবির ঘটনা ঘটে।
#চলনবিলের আলো / আপন