রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :

আলাদা দুটি আবাদী মাঠের প্রায় ১ হাজার ৮ শত বিঘা জমি এখনো জলাবদ্ধতায় রয়েছে

মোঃ আমিনুল ইসলাম, উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১, ৭:২২ অপরাহ্ণ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুটি ইউনিয়নের আলাদা দুটি আবাদী মাঠের প্রায় ১৮’শ (১ হাজার ৮ শত) বিঘা জমি এখনো জলাবদ্ধতায় আছে। পানি নিষ্কাশন পথগুলো বন্ধ হওয়ায় এমন অবস্থা হয়েছে। সাম্প্রতিক ক# ৩৯ বছর ধরে এ দশা দেখা দিয়েছে ।
সঠিক সময়ে ফসলের আবাদের বাধা হয়েছে জলাবদ্ধতা। চতরার বিল বলে পরিচিত আবাদী মাঠের জমি এখন এক ফসলী জমি হয়েছে। উপজেলার বড়হর ইউনিয়নের বড়হর দ¶িণপাড়া ও খামারপাড়া গ্রামের পুরো চতরার বিলের প্রায় ছয়শো বিঘা জমিতে বছর তিনেক আগেও বছরে তিনটি ফসলের আবাদ হতো বলে জানা গেছে । এখানকার জমিতে বোরো ( ইরি) ধান , সরিষা ও নানা সবজী ফসলের আবাদ হতো। বর্ষাকালে হওয়া বৃষ্টি ও বন্যার পানি বিভিন্ন পথ হয়ে সহজে বের হয়ে যেতো। এলাকার কৃষকেরা আরো জানান গত ক#৩৯;বছরে পানি বের হওয়ার সে সব পথগুলোয় বসতবাড়ি এবং বিভিন্ন কাজে মাটি ভরাট করে উচু করা হয়েছে। এ কারণে আবাদী মাঠটি থেকে সহজে পানি বের হতে না পারায় শুকনো মৌসুমেও জলাবদ্ধ অবস্থায় থাকছে। গত এক বছর ধরে জলাবদ্ধতা আরো বেশী সময় ধরে থাকছে বলে জানা গেছে। এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য কৃষক আকবর আলীসহ আরো ক্#৩৯;জন কৃষক জানান গত বছর বোরো ধান আবাদে পানির মধ্যেই চারা লাগানো হয়েছিলো। বৃষ্টি হলেই তা ডুবে যেতো। অন্য ফসলের আবাদ করা যায়নি। বোরো ধান আবাদও সুষ্ঠভাবে করা যায়নি। এবারেও সমস্যা আরো বেশী হয়ে দেখা দিয়েছে বলে জানান । অপর দিকে উপজেলার কয়ড়া ইউনিয়নের ভাগলপুর মৌজার পাশাপাশি অবস্থানের মানতলা বিল ও ভেদা গাড়ী বিলের বলে পরিচিত আবাদী মাঠের প্রায় বারোশ ( ১ হাজার ২শ ) বিঘা আবাদী জমি জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছে। সহজ ও সুষ্ঠ ভাবে পানি বের হতে না পারায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ভাগলপুর গ্রামের কৃষক মোকবুল হোসেনসহ আরো ক্#৩৯;জন জানান জলাবদ্ধতার কারণে বোরো ধান ফসলের আবাদ তাদেরকে দেরীতে করতে হচ্ছে । আবার নীচু অনেক জমিতে সে ধানের আবাদ করা যায়না। বিএডিসি উল্লাপাড়া জোনের সহকারী প্রকৌশলী জাহিদ হাসান বলেন গত ৬ নভেম্বর বড়হর ইউনিয়নের চতরার বিলের হাল অবস্থা জলাবদ্ধতার শিকার জমিগুলো বিএডিসি সিরাজগঞ্জের সেচ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ আলম সরেজমিনে দেখেছেন। এলাকার কৃষকদের নিয়ে মতবিনিময় করা হয়েছে । তিনি সাথে ছিলেন। চতরার বিলের জলাবদ্ধতার অবসানে পানি নিষ্কাশনে ভু গর্ভস্থ ড্রেন নির্মাণের বিষয়ে তার বিভাগ থেকে ভাবা হচ্ছে । এছাড়া কয়ড়া ইউনিয়নের মাঠ দুটি সরেজমিনে দেখে পানি নিষ্কাশনে স্থায়ী ব্যবস্থায় ড্রেন নির্মাণ ও খাল খননে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর