শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন

ই-পেপার

প্রদীপের নীচে অন্ধকার রুহিয়ায় সংস্কারের অভাবে সামান্য বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় একটি রাস্তা

দুলাল হক,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১, ১২:১০ অপরাহ্ণ

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির অভাবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে হাটু পানির নীচে তলিয়ে যাচ্ছে ঘনিবিষ্টপুর গুয়াপাড়া গ্রাম।এতে ৫ হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া  থানাধীন রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনিবিষ্টপুর (গুয়াপাড়া)  গ্রামে অবস্থিত ফুলকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।ওই গ্রামে বসবাস করেন  রেজাউল ইসলাম মাস্টার ও বীরমুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী।তাদের বাড়ি হতে রুহিয়া চৌরাস্তায় ওঠার একমাত্র সড়কটিতে দীর্ঘদিনেও চোখ পড়েনি কর্তৃপক্ষের।এ কারণে দীর্ঘদিনের এই রাস্তাটি যেমন পাকাকরণ করা হয়নি,তেমনি রাস্তাটিতে মাটি ভরাটও করা হয়নি দীর্ঘদিনেও। এছাড়াও এখানে নতুন নতুন বাড়িঘর তৈরী হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা।এ কারণে বৃষ্টিপাত শুরু হলে ২/১দিনের বৃষ্টিতে বাড়ির উঠান ও রাস্তাঘাটে পানি জমে যায়।পানি বন্দি হয়ে পড়ে এখানকার সাধারণ মানুষ।এ অবস্থায়  ফুলকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও  পার্শস্থ মসজিদে মুসল্লীরা যেতে পারছেন না।
রাস্তায় পানি ওঠায় মোটর সাইকেল বা বাই সাইকেল নিয়ে চলাচল কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।কাঁদা পানিতে চলতে গিয়ে অনেকেই পা পিছলে পড়ে গিয়ে গন্তব্যে যাবার আগেই বাড়িতে ফিরে আসতে বাধ্য হন।
ওই গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী বলেন,নির্বাচন এলে জনপ্রতিনিধিরা এখানকার সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।কিন্তু নির্বাচন শেষ হলেই সবাই ভুলে যান এখানকার মানুষের দুর্ভোগ।
স্কুল শিক্ষক রেজাউল ইসলাম জানান ,আমরা রুহিয়া চৌরাস্তা হতে কাছাকাছি থাকলেও বর্ষাকালে আমরা চরম কষ্টে থাকি।কাদাপানির কারণে না পাড়ি বাজারে বের হতে ।না পারি মসজিদে নামাজ পড়তে যেতে।আমাদের অবস্থা অনেকটা প্রদীপের নিচে অন্ধকারের মতো।
বর্ষার মৌসুমে এ রাস্তাটির করুণ অবস্থা দেখার যেন কেউ নেই।
ব্যবসায়ী মোবারক আলী জানান, একটু বৃষ্টি হলেই যানবাহন তো দুরের কথা মানুষের পায়ে হেঁটে চলতেও পোহাতে হয় নানান ভোগান্তি। তাই দ্রুত এই রাস্তাটি সংস্কারের  দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবু বলেন, এ রাস্তা দিয়ে প্রত্যহ কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে। আমার সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এখানে মাটি দিয়ে সংস্কার করা হয়। অতিরিক্ত জনবসতির কারণে বর্ষায় সামান্যি বৃষ্টিতে রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে যায়।তাই রাস্তাটি জরুরী ভিত্তিতে পাকা করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর