শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

আগৈলঝাড়ায় লকডাউন দুর্ভোগে যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা

রুবিনা আজাদ,আঞ্চলিক প্রতিনিধি,বরিশাল:
আপডেট সময়: বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১, ৬:২৯ অপরাহ্ণ

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত লকডাউনের দ্বিতীয় দিন পালিত হয়েছে ঢিলেঢালা ভাবে। মঙ্গলবার ও গতকাল বুধবার সকাল থেকেই রাস্তায় চলেনি দুরপাল্লার যানবাহন ও গণপরিবহন। সীমিত আকারে কিছু দোকানপাটও ছিল বন্ধ। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে অফিসগামী যাত্রীদের। সড়কজুড়ে অটোরিকশা, ভ্যান, মাহিন্দ্রা ও ইজিবাইক থাকলেও ভাড়া ছিল দ্বিগুণ। লকডাউন শুরু থেকেই বেশি দুর্ভোগে পরেছেন অফিসগামী যাত্রী ও বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা।

উপজেলা সদর, গৈলা রথখোলা বাসষ্ট্যান্ড, নীমতলা বাসষ্ট্যান্ড ও পয়সারহাট বাসষ্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে ছিলেন অফিসগামী যাত্রীরা। কেউ কেউ অটোরিক্সা, ভ্যান, মাহিন্দ্রা ও ইজিবাইক নিয়ে ছুটেছেন কর্মস্থলে। আবার অনেকে ভাড়া বেশির কারনে কেউ কেউ হেঁটেছেন। তবে লকডাউনে রিক্সা ছাড়া অন্যান্য বড় যানবাহন চলাচল না করায় রিক্সা ভাড়া স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। গাড়ি ভাড়া বেশি হওয়ায় বেশিরভাগ অফিসাগামী দুই জন মিলে ভাগাভাগি করে কেউ কেউ গন্তব্য স্থলে গিয়েছেন। এছাড়া সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে মাঝে মাঝে কয়েকটি মাহিন্দ্রা, ইজিবাইক ও অটোরিক্সায় অধিক যাত্রী নিয়ে দ্বিগুণ ভাড়াতে যাত্রী পরিবহন করতেও দেখা গেছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত সাখওয়াত হোসেন বলেন, ‘অফিস খোলা রেখে লকডাউন দেওয়ার কোন মানে হয় না। বন্ধ করলে সবকিছুই বন্ধ করেই লকডাউন দেয়া উচিত ছিল। এ লকডাউনে আমার মতো বরিশাল থেকে অথবা বিভিন্ন স্থান থেকে আসা চাকুরিজীবীদের ভোগান্তি ছাড়া আর কিছুই দেখছিনা।’ এই লকডাউনের মধ্যে বরিশাল সদর থেকে আগৈলঝাড়া আসতে অন্তত পক্ষে পাঁচবার গাড়ি পাল্টাতে হয়। এতে যেমন করে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় তেমনি আবার দ্বিগুন ভাড়া গুনতে হয়।

আরেক চাকুরিজীবী রেজাউল ইসলাম বলেন, পরিশ্রম করে টাকা উপার্যন করছি। কিন্তু কষ্টের উপার্যনের অর্ধেক দিয়ে দিতে হচ্ছে গাড়ি ভাড়ায়। লকডাউন দিতে হলে সব বন্ধ করে লকডাউন দিতে হবে। অফিস খোলা রেখে গণপরিবহন বন্ধ এটা কোন ধরনের সিস্টেম।

সকাল থেকে মাঠপর্যায়ে লকডাউনের পরিস্থিতি বিষয়ে জানতে চাইলে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হাশেম বলেন- লকডাউন যে আসলে কী মানুষ সেটি বুঝতে চাইছে না। সিএনজি, ইজিবাইক, ভ্যান ও মাহিন্দ্রা গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী পেলে ব্যবস্থা নিচ্ছি। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সতর্ক করা এবং অর্থদন্ডও করা হচ্ছে। তারপরও সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী লকডাউন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর