শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

মেহেন্দিগঞ্জে ভাতিজাদের মারধরে চাচার মৃত্যু

রুবিনা আজাদ,আঞ্চলিক প্রতিনিধি,বরিশাল:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় বিরোধপূর্ন পুকুরের মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে ভাতিজাদের মারধরে চাচা দেলোয়ার হোসেন হাওলাদারের দিলু (৬০) মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৬ মে) দুপুরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের চরফেনুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের মৃতদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে।

দেলোয়ার হোসেন ওই গ্রামের মৃত হাসেম হাওলাদারের ছেলে। পেশায় তিনি কৃষক দেলোয়ার ৩ সন্তানের জনক ছিলেন তিনি।

অভিযুক্তরা হলেন, মৃত দেলোয়ার হোসেন ভাই খালেক হাওলাদার ও তার ছেলে চান হাওলাদার এবং ফারুক হওলাদার। নিহত দেলোয়ার হোসেন ও তার ভাই-ভাতিজারা একই গ্রামে পাশাপাশি বাড়িতে তারা বসবাস করেন ।
দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সালমা বেগম জানান, তাদের ঘরের সামনের পুকুরের জমি নিয়ে তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন ও দেবর খালেক হাওলাদারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। বুধবার দুপুরে ওই পুকুর থেকে কয়েক সাজি মাটি কাটে তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন। এ সময় খালেক হাওলাদার ও তার ছেলে চান হাওলাদার এবং ফারুক হওলাদার বাধা দেন ও গালিগালাজ করেন। পরে তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন মাটি কাটা বন্ধ রাখেন। আজ দুপুর আড়াইটার দিকে তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন পুকুর পাড়ে গেলে খালেক হাওলাদার ও তার ছেলে চান হাওলাদার এবং ফারুক হওলাদার তেড়ে আসেন। এসময় তার স্বামী দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে তাদের ঝগড়া বেধে যায়। এক পর্যায়ে চান হাওলাদার ও ফারুক হওলাদার তার স্বামীকে মারধর ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন।

স্ত্রী সালমা বেগম জানান, তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন রোজা ছিলেন। তিনি নিজের জমির মাটি কাটার জন্য গিয়েছিলেন। এরপরও জমির মিমাংসার জন্য ঈদের পর এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বসার কথা বার বার বলছিলেন। তবে তারা তার স্বামীর কথায় কর্নপাত করেননি। তারা তাকে মারধর করতে থকেন। মারধরে একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার সুকুমার রায় বলেন, বিরোধপূর্ন পুকুরের মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। দেলোয়ার হোসেনের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত খালেক হাওলাদার ও তার ছেলে চান হাওলাদার এবং ফারুক হওলাদার আত্মগোপন করেছেন। তাদের আটকের চেস্টা চলছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

 

#আপন_ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর