মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

লালমোহনে সাংবাদিকের কাছে চাঁদা দাবী করল কথিত হোন্ডা নেতা সম্রাট

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

নাম তার আলী আকবর সম্রাট। নিজেকে লালমোহন হোন্ডা ষ্টান্ডের কথিত মালিক/নেতা দাবী করে- করে যাচ্ছে তাই। এই সমস্ত কথিত হোন্ডা নেতাদের কাছে জিম্মি হয়ে আছে লালমোহনের সাধারন মানুষজন। এরা মানুষের সাথে খারাপ আচরন করা থেকে শুরু করে গায়েও হাত দিচ্ছে মাঝে মধ্যে। এদের কথিত যায়গায় (হোন্ডা ষ্টান্ড) কেউ হোন্ডা রাখলে দিতে হয় চাঁদা। চাঁদা না দিলে গালাগালি থেকে শুরু করে নেমে আসে অতর্কিত নির্যাতন। তেমনি এক নির্যাতনের স্বীকার লালমোহনের তরুন সাংবাদিক নাইম ইসলাম।

 

জানা যায় ৩ জুন বুধবার বেলা ১২ টার সময় ভোলা-৩ আসনের এমপি লালমোহন চৌরাস্তার মোড়ে রশিদ মাস্টার সড়ক উদ্ভোধন করার নিউজ কবারেজ ও ছবি করার জন্য চৌরাস্তার মোড়ে যায় সাংবাদিক নাইম। চৌরাস্তার মোড়ের পশ্চিম পাশে ফলের দোকানের সামনের রাস্তায় নাইম তার মটর বাইকটি রাখে। কিছুক্ষণের মধ্যে চলে আসে কথিত হোন্ডা নেতা আলী আকবর সম্রাট। সে এসেই নাইমের কাছে হোন্ডা রাখার জন্য চাঁদা দাবী করে। নাইম তাকে বলে আমি ভাড়া হোন্ডা চালাই না। এটা আমার নিজের হোন্ডা। আলী আকবর সম্রাট বলে তাহলে এখানে রাখছেন কেন হোন্ডা। এটা আমার কেনা মটর সাইকেল ষ্টান্ড। এখানে মটর সাইকেল রাখলেই চাঁদা দিতে হয়। সে যেই হোক না কেন।

 

এক পর্যায়ে দুজনের মধ্যে কথাকাটির পড়ে নাইম চলে আসে। জানা যায় লালমোহন পৌরসভার মধ্যে বিভিন্ন স্থানে রয়েছে হোন্ডা ষ্টান্ড। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে লালমোহন চৌরাস্তা এবং উত্তরা ব্যাংকের নিচে সামনের যায়গায়। ব্যস্ততম লালমোহন চৌরাস্তা সবসময় এই হোন্ডা স্টান্ডের কারনে জ্যাম লেগেই থাকে। সরকারি রাস্তা দখল করে অবৈধভাবে এসব হোন্ডা স্টান্ড করা হয়েছে। এখানে সাধারন লোকজন কোন হোন্ডা রাখলে চড়াও হয় এই ভাড়াটিয়া হোন্ডার ড্রাইভাররা। রয়েছে তাদের নেতা ও পাতিনেতা। কেউ কিছু বললেই সাথে সাথে পাতিনেতার সাধারন লোকদের উপর চড়া হয়। কেউ এসব ষ্টান্ডে হোন্ডা রাখলে চুরি হয়ে যায় হেলমেট সহ মটরবাইকের অনান্য যন্ত্রপাতি।

 

হোন্ডা নেতাদের আচরনে মনে হয় সরকারি রাস্তা যেন তাদের নিজস্ব সম্পত্তি। এদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে এবং লালমোহন বাজার থেকে হোন্ডা ষ্টান্ড সরানোর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সাধারন ভুক্তভোগীরা। এ ব্যাপারে লালমোহন থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার মাহাবুব আলী বলেন অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর