মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

সমঝোতা না হওয়ায় আটকে আছে তিস্তা চুক্তি;রামগড়ে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ পরিদর্শনে এসে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন

বেলাল হোসাইন,(খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১, ৪:২২ অপরাহ্ণ

তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার কোন সমঝোতায় আসতে পারেনি।যার কারণে চুক্তি হচ্ছেনা বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।খাগড়াছড়ির রামগড়ে বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতু পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।তিনি আরো জানান,ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে বৈঠক হয়েছে।ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যসরকার কোন সমঝোতায় আসতে পারেনি।তবে আমরা আশাবাদী।আগামী ১৬ মার্চ ভারতের পানি সম্পদ সচিবের সাথে বৈঠক করার কথা রয়েছে এরপরেই দুই দেশের পানি সম্পদ মন্ত্রীদের বৈঠক হবে। আমরা আশাবাদী বৈঠকগুলি হলেই তিস্তা সহ ৬টি নদীর ব্যাপারে একটা অগ্রগতি হবে।

 

শুক্রবার (৫ মার্চ)উদ্ধোধনেরঅপেক্ষায়থাকা রামগড়ের মহামুনিতে মৈত্রী সেতু ১ পরিদর্শনে এসে তিনি বলেন,স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বাংলাদেশ-ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের মহোৎসবে শামিল হবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তখন আনুষ্ঠানিক  ভাবে বাংলাদেশের ফেনী নদীর ওপরে নির্মিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী-১ সেতুটির যৌথভাবে উদ্বোধন করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

 

তিনি আরো বলেন, সেতুটি উদ্বোধন হলেও সেতুর কার্যক্রমে আরো আনুষ্ঠানিকতা রয়ে গেছে। সেতুটির ফলে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে অনেক অগ্রগতি সৃষ্টি হবে।

 

পরিদর্শনে আরো উপস্থিত ছিলেন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের গোয়েন্দা পরিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আতিকুর রহমান, চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল সাইফুল আবেদীন, গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন, রামগড় জোন অধিনায়ক লে. কর্ণেল আনোয়ারুল মাযহার,রামগড় উপজেলা নির্বাহি অফিসার মু.মাহমুদ উল্লাহ মারুফ,জেলা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নিবাহী প্রকৌশলী শাকিল মুহাম্মদ ফয়সাল সহ পদস্থ কর্মকর্তারা।

 

উল্লেখ্য যে, ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্টাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল) এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তানিশ চন্দ্র আগারভাগ ইনপাকন প্রাইভেট লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে ৮২.৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রামগড়ের মহামুনিতে ২৮৬ একর জমির ওপর ৪১২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১৪.৮০ মিটার প্রস্থের আন্তর্জাতিক মানের মৈত্রী সেতুটি গত ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর থেকে নির্মাণকাজ শুরু করে দীর্ঘ ৩ বছর পর গত জানুয়ারীতে নির্মাণকাজ শেষ করে।

 

 

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ নামে ফেনী নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির শিলান্যাস করেন। ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর থেকে মৈত্রী সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। সেতুর কাজ শেষ হয়েছে, এখন কেবল উদ্বোধনের পালা। সেই প্রতীক্ষায় দিন গুনছেন রামগড় ও সাব্রুমবাসী।

 

CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর