সকল সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে এক সাথে মহান কাজের উদ্দ্যেশ্যে গঠিত হয় ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ইউনিটি । কিন্তু সরষের মধ্যে ভূত থাকলে তার সামনে চলা দুঃসাধ্য । সংগঠনের উদ্দেশ্য ভুলে গিয়ে নিজ নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করতে যখন কোন বিশেষ ব্যক্তি বা প্রতিনিধি মরিয়া হয়ে ওঠে তখন তাকে টিকিয়ে রাখা দুস্কর হয়ে যায়। সংগঠনের সাধারণ সভায় এই ভুত তাড়িয়ে নুতন উদ্যম এ পথ চলা শুরু করেছে।
জেলার বিশিষ্ট সাংবাদিক আসিক মানিক কে সভাপতি এবং এ জি এম মিজানুর রহমান কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে গড়ে ওঠে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট রিপোর্টার্স ইউনিটি ঝালকাঠি। সংগঠনটির পথ চলা শুরু হতে না হতেই সংগঠনের সেক্রেটারি এ জি এম মিজানুর রহমানের বিভিন্ন অপ্রীতিকর, অসাংগঠনিক এবং সংগঠনের সংবিধান বহির্ভূত কর্মকান্ডে জড়িয়ে পরার কারনে জেলার সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত এই মূল সংগঠনটি সমালোচনার সম্মুখীন হয়ে পরে।
পরবর্তীতে একটি বিশেষ জরুরী সভা ডেকে এ জি এম মিজানুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। উক্ত মিজানুর রহমান কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়ে সংগঠন ধংসের পায়তারা শুরু করে। এবং একই নামে ভিন্ন একটি সংগঠন করার কার্যক্রম শুরু করে। যাতে করে সংগঠনের অন্য একজন সম্মানিত সদস্যের নাম ব্যবহার করে তাকে সভাপতি করে কার্যক্রম প্রচার শুরু করে যা সমন্ধে উক্ত সভাপতি নির্বাচিত করা ব্যক্তি নিজেও অবগত নন।
এছারাও কারণ দর্শানোর নোটিশে এজিএম মিজানুর রহমানকে সংগঠন এর নামে সমাজের বিভিন্ন সম্মানিত ব্যাক্তির নিকট থেকে সংগ্রহ করা টাকা ফেরত প্রদান করতে বলা হয়ে থাকলেও সে উক্ত টাকা ফেরত না দিয়ে উপরন্তু জেলার পুলিশ সুপারের নিকট রিপোর্টার্স ইউনিটি ঝালকাঠির বর্তমান সভাপতি আসিফ মানিক এর নামে একটি মিথ্যা ও হয়রানি মূলক অভিযোগ প্রদান করে যা পরবর্তীতে মিথ্যা বলে প্রমানিত হয়। এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও আসিফ মানিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
সর্বোপরি এজিএম মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সংগঠনের সংবিধান অবমাননা, ছলচাতুরীর আশ্রয়, একটি দুই নম্বর রেজুলেশন বুক তৈরী এবং তার ব্যবহার, সংগঠন এর নাম করে সমাজের বিভিন্ন জনের কাছ থেকে চাঁদা আদায় এবং সংগঠন এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে অসদাচরণ এর কারনে রিপোর্টারস ইউনিটি ঝালকাঠি থেকে বহিস্কার করা হয়।
এ বিষয়ে রিপোর্টার্স ইউনিটি ঝালকাঠির সভাপতি জনাব আসিফ মানিকের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ” রিপোর্টার্স ইউনিটি ঝালকাঠি একটি মূল ধারার সাংবাদিক সংগঠন, এখানে কোন অন্যায় কারী, অন্যায় লালন বা প্রশ্রয় দান কারী, দুর্নীতিবাজ, হলুদ সাংবাদিক বা চাঁদাবাজ দের যায়গা হবে না। এটা একটি পবিত্র সংগঠন। এর মুল্য বা সম্মান রক্ষার দ্বায়িত্ব আমাদের সকলের। তাই সকলের স্বার্থে, এবং সকল সদস্যদের অনাস্থার কারনেই এ জি এম মিজানুর রহমানকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।
CBALO/আপন ইসলাম