সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন

ই-পেপার

অভয়নগর চিকিৎসকদের যোগসাজশে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্ট বাণিজ্য

মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর(যশোর):
আপডেট সময়: রবিবার, ১৪ জুলাই, ২০২৪, ৮:১৬ অপরাহ্ণ

যশোরের অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের যোগসাজশে নওয়াপাড়া হাসপাতাল রোডে অবস্থিত পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গলাকাটা টেস্ট বাণিজ্য করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অসাধু ডাক্তারদের নিয়োগকৃত দালালদের দিয়ে রোগীদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। ফলে, ওইসব দালাল চক্রদের কাজ হল ডাক্তারদের যার যার কমিশন বাণিজ্যের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের পাঠিয়ে বিভিন্ন টেস্ট করিয়ে খেয়ালখুশি মতো গলা কাটা বাণিজ্য করে ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে ডাক্তারদের বলে দেওয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেস্ট না করে অন্য কোথাও থেকে টেস্ট করালেই রোগীর উপর নেমে আসে বিভিন্ন হয়রানি। এমনি এক ভুক্তভোগী উপজেলার বুইকরা গ্রামের বিষ খাওয়া রোগী মোঃ সোয়েব আক্তারকে ও তার মা তুলি বেগমকে সোমবার ৮ জুলাই সকালে রক্ত টেস্ট করার কাগজ ধরিয়ে ডাক্তার বাহারুল রোগীকে বলেন পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে টেস্ট করে আনবেন এবং ডাক্তারের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিয়োজিত দালালের মাধ্যমে রোগীকে রক্ত টেস্ট করাতে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে রক্ত টেস্ট করাতে গিয়ে ২০০ টাকার স্থলে ১০০০ টাকার বিল করে আদায় করার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী তুলি বেগম। সূত্রে আরোও জানা গেছে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক একজন পাশ করা ডাক্তার না হয়েও নিজেকে একজন ডাক্তার দাবি করে রোগীদের সাথে করে চলেছেন প্রতারণা।
এবিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেের ডাক্তার বাহারুলকে রক্ত টেস্ট হাসপাতালে থাকতে রোগীকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কেন পাঠালেন এর উত্তরে তিনি বলেন, যেহেতু বিষ খাওয়া রোগী তাই বাহির থেকে রক্ত টেস্ট করতে বলেছি। রোগীদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন কোন রোগীকে হয়রানি করা হয়না।
এবিষয়ে অভয়নগর নওয়াপাড়া পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক এনসি বিশ্বাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমরা এমন অনিয়ম করিনা, আর রোগীর কাছ থেকে ১০০০ টাকা রক্ত টেস্টের বিল নেওয়া হলে সেই রক্ত টেস্টের বিল ১০০০ টাকার বেশি আছে।
এবিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ওহিদুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর