মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চকহরিরচরন গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম কুন্টু। তৃণমূল রাজনীতিতে সততা, নিষ্ঠা ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি পেশায় একজন বিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানিকগঞ্জ জজকোর্টে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, নিরপরাধ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর আন্তরিকতা তাঁকে সাধারণ মানুষের আস্থাভাজন করে তুলেছে। আদালতে তাঁর যুক্তিবোধ, প্রজ্ঞা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে সহকর্মী ও বিচারপ্রার্থীদের কাছে একজন নির্ভরযোগ্য আইনজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আইন পেশার পাশাপাশি তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন রাজনীতিতে। সুদীর্ঘ ৩২ বছর যাবত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’ র প্রতিষ্ঠতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দলীয় কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাছাড়া বিগত ১৭ বছর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সম্মানিত সদস্য এবং দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনকে সুসংগঠিত করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং গণমানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম কুন্টুর বিশেষত্ব হলো তাঁর সততা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা। তিনি রাজনীতিকে ক্ষমতার মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং মানুষের সেবার একটি মহৎ দায়িত্ব হিসেবে দেখেন। সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়া এবং তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা ও উন্নয়নের সুফল সবার মাঝে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি। এ কারণেই তিনি একজন জনপ্রিয় তৃণমূল রাজনৈতিক নেতা হিসেবে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।
দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর লক্ষ্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট—একটি সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত, শিক্ষা-সহায়ক ও উন্নয়নমুখী উপজেলা গঠন। তিনি বিশ্বাস করেন, যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে হলে শিক্ষার প্রসার, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে তিনি একটি আলোকিত সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখেন।
এছাড়া তিনি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, একটি উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ উন্নয়নের অংশীদার হবে। তিনি একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার প্রত্যয়ে কাজ করতে চান।
সর্বোপরি, এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম কুন্টু একজন সৎ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। আইন পেশায় তাঁর দক্ষতা এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা তাঁকে দৌলতপুর উপজেলার মানুষের কাছে আশার প্রতীক করে তুলেছে। তাঁর নেতৃত্বে একটি শান্তিপূর্ণ, মাদকমুক্ত ও শিক্ষা-সমৃদ্ধ দৌলতপুর গড়ে উঠবে—এমন প্রত্যাশাই আজ সর্বস্তরের মানুষের। তাই গণমানুষের প্রাণের দাবি তাঁকে দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা।