সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন

ই-পেপার

দৌলতপুরে পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দিলেন প্রধান শিক্ষক 

মাসউদুর রহমান, দৌলতপুর(মানিকগঞ্জ):
আপডেট সময়: বুধবার, ১০ জুলাই, ২০২৪, ৭:১৩ অপরাহ্ণ

মানিকগঞ্জের সদর ঐতিহ্যবাহী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর এক পরীক্ষার্থী পরীক্ষার ফি ও বেতন দিতে না পারায় পরীক্ষার রুম থেকে বেড় করে দেওয়ার অভিযোগ  প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বিরুদ্ধে ।পরে ইউএনওর সহযোগিতায়  পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে শিক্ষার্থী।
জানাগেছে – নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সোহানা আক্তার ক্লাস মূল্যায়ন পরীক্ষা দিতে আসলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক তার কাছে বেতন ও পরীক্ষার ফিস পরিশোধ করে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে বলে । মেয়েটা টাকা  দিতে না পারায় মেয়েটাকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেয় ।পরে মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে চলে যায় ।পরে মেয়ের চাচা চাঁন মিয়া মেয়েটা নিয়ে  উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তার কাছে বিস্তারিত খুলে বললে ২ঘন্টা ২০ মিনিট পর মেয়েটাকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যাবস্থা করে দেন নিবার্হী কর্মকর্তা নাহিয়ান নুরেন।
এবিষয়ে মেয়ের চাচা চাঁন মিয়া বলেন আমার ভাই দিন মজুর এবং হত দরিদ্র,সময়তে চাউল থাকেনা আমি মাঝে মধ্যে সহ যোগিতা করি ।এর পর আমার ভাই ও ভাবী দুই জনই অসুস্থ অপেরেশনের রোগী। কোন মত সংসার চলে তাদের ।
আমার ভাজতী দৌলতপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে  মূল্যায়ন পরীক্ষা দিতে গেলে স্কুলে ২৬ শ টাকা বকেয়া থাকায় হেড মাস্টার রেজাউল করিম তাঁকে পরীক্ষার হল থেকে বেড় করে দেয় । পরে আমার ভাজতীকে নিয়ে ইউএনও স্যারের কাছে গেলে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেন ।দৌলতপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম কাছে কথা বললে সাংবাদিকদের ভূলবাল বুঝিয়ে ফোন কেটে দেয় । এবং সে বলে পূর্বের পরীক্ষা না দেওয়ায় তাকে রুম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।এবিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা নাহিয়ান নুরেন বলেন পরীক্ষার্থী সোহানা  আমার কাছে এসেছিল হেড মাস্টার তাকে বের করে দিয়েছে আমাকে বলেছে পরে আমি হেড মাস্টারকে বলে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আমি শুনেছি মেয়েটির বাবা খুবই অসহায় দরিদ্র আমি যতটুকু পারি তাকে সহযোগিতা করব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর