জামালপুরের বকশিগঞ্জে ১-নং ধানুয়াকামালপুরের চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে মার পিটপিটি করে গ্রাম পুলিশের দফাদারকে শত শত জনগণের সামনে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বেরকরেদেয়। ঘটনাটি ঘটেছে ৩০-মে দুপুরে ১-নং ধানুয়াকামালপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ২-জুন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বকশিগঞ্জ থানা ও ইউএনও বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী নুরনবী দফাদার। চেয়ারম্যান মতিউর রহমান এ অভিযোগ অস্বীকার করে (মিনিমাইজের) জন্য বহু লোক ধরেছেন বলে জানাযায়। জানাগেছে, গত ৩০-মে বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদের সরকারী দায়িত্ব পালন করছিলেন দফাদার নুরনবী। কিন্তু ওই দিন (বৃহস্পতিবার) চকিদার ও দফাদারদের বকশিগঞ্জ থানায় হাজিরার দিন ছিল। সপ্তাহে প্রতি বৃহস্পতিবারে সকল ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশদের থানায় হাজিরার দিন ছিল। ধানুয়াকামালপুর ইউনিয়ন পরিষদে কাজ থাকার কারনে তিনি সে দিন থানায় যেতে পারেননি। চেয়ারম্যান পরিষদে আসতৈ দেরিকরায় ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল লতিফের নিকট থেকে থানার হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর নিয়ে (প্রতিবেদন)অপর গ্রাম পুলিশ সন্তোষ সাংমার মাধ্যমে থানায় পাঠিয়েদেন নুরনবী। দুপুর ১২-টার পরে ইউনিয়ন পরিষদের আসেন (দেরিকরে) চেয়ারম্যান মশিউর রহমান লাকপতি। পরে পরিষদে এসে থানার হাজিরা খাতা (প্রতিবেদন) খাতায় ইউনিয়নের সচিবের স্বাক্ষর নেওয়ার কারনে নুরনবীকে গালা গালী সহ (পড়নে থাকা ইউনিফর্ম) শার্টের কলার ধরে শত-শত জনগণের সম্মুখে টানা হ্যাচড়া সহ মারধর করে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ঘাড় ধাক্কা মেরে বের করেদেয়। এ বিষয়ে থানায় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নরনবী। এ বিষয়ে বকশিগঞ্জ থানায় মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে ওসি (তদন্ত) সন্জয় কুমার জানান,মারধরের ঘটনায় একটি জিডি করাহয়েছে। তদন্তের জন্য কর্মকর্তা তদনত করছে তদন্ত সাপেক্ষে বযবস্তা নেব। এ ঘটনায় এলায় চান্চুল্য শৃষ্টি হয়েছে। সকলে দৃ-ষ্টান্ত সু-বিচার কামনা করছেন প্রশাসনের কাছে।