মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

গ্রাম আদালত সংক্রিয়করণে চৌহালীতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্বি বার্ষিক সমন্বয় সভা

মাহমুদুল হাসান, চৌহালী(সিরাজগঞ্জ): 
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়ে হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (AACO),ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে দ্বি বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“শেখ হাসিনার মূলনীতি গ্রাম শহরের উন্নতি” অল্প সময়ে,সল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে ” এমন শ্লোগানকে সামনে রেখে  বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সংক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্প স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় ঢাকা কর্তৃক ২০৪১ উন্নত উদ্বাবনী স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হচ্ছে।
ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, বাংলাদেশ সরকার এবং ইউ এনডিপির অর্থায়নে ও( ই এস ডি ও)’র বাস্তবায়ন সহযোগিতা ফিল্ড পর্যায়ে চৌহালী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন কে ঢেলে সাজানো ও  গ্রাম আদালত আরও গতিশীল এবং শক্তিশালী করণে ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে দ্বি বার্ষিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা পর্যায়ে দ্বি বার্ষিক সমন্বয় সভা সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মাহবুব হাসান।  অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন উপজেলা সমন্বয় কর্মকর্তা  মোঃ শহীদুল ইসলাম।
 বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ও গ্রাম আদালতের সুবিধা- গ্রাম আদালত সর্ব্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা মুল্যমানের ফৌজদারি ও দেওয়ানী মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সহ উভয় পক্ষের ২ জন করে মনোনীত প্রতিনিধি নিয়ে গ্রাম আদালত গঠিত হয়, নিজ ইউনিয়ন পরিষদেই গ্রাম আদালত বসে, বিচারিক প্যানেলে নিজেইন প্রতিনিধি নিজেই মনোনয়ন দেয়া যায়, বাদি এবং প্রতিবাদী নিজেরাই নিজেদের কথা বলেতে পারা, আইনজীবী নিয়োগের বিধান নেই। ফৌজদারি মামলার ফি ১০টাকা এবং দেওয়ানী মামলার ২০টাকা।  এছাড়া কোন খরচ নেই।
গ্রাম আদালত যেসব বিরোধ নিস্পত্তি করতে পারে- চুরি, ঝগড়া-বিবাদ,কলহ বা মারামারি, দাঙ্গা, প্রতারনা, ভয়ভীতি দেখানো বা হুমকি দেয়া, কোন নারীর শালীনতাকে অমর্যদা বা অপমানের উদ্দেশ্যে কথা বলা,উত্যক্ত করা। গচ্ছিত কোন মুল্যবান সম্পত্তি আত্মসাত করা, পাওনা টাকা আদায়,স্থাবর সম্পত্তির দখল ও পূর্ণ উদ্ধার বা তার মুল্য উদ্ধার,  কোন অস্থবর সম্পতি জবর দখল বা ক্ষতি করার জন্য ক্ষতিপুরণ আদায়।গবাদিপশুর অনাধিকার প্রবেশের কারণে ক্ষতিপুরণ,গবাদিপশু মেরে ফেলা বা গবাদিপশুর ক্ষতি করা,কৃষি শ্রমীকের পরিশোধযোগ্য মজুরি ও ক্ষতিপুরণ আদায় ইত্যাদি।
বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য- বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিচার ব্যবস্থায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণ অবদান রাখা, সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য – স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সুসংগঠিত গ্রাম আদালতের মাধ্যমে স্থানীয় বিচারিক চাহিদা এবং যথাযথ আইনি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে অধিকেতর সংবেদনাশীল করা, স্থানীয় জনগণ বিশেষ করে নারী, দরিদ্র ও বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন করা: যাতে তারা তাদের প্রতি সংঘটিত অন্যায়সমূহের প্রতিকার চাইতে পারে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুততম সময়ে, স্বল্প খরচে ও স্বচ্ছতার সাথে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে।
 স্ব-স্ব এলাকায় নিজ দায়িত্ব পালন করার জন্য পরামর্শ, সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় গ্রাম আদালত বিষয়ক  গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর