নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ডাকাতি ছিনতাই ও চুরিচামারি বেড়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জানা যায়, সম্প্রতি পৌরশহরের সমেশপুর মহল্লায় এক শিক্ষকের বাসায় ডাকাতি হয়। পুলিশ ডাকাতির ঘটনায় মামলা নিলেও কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি। প্রতি রাতেই গরু চুরি যাচ্ছে। শহরের বাসা-বাড়ি, দোকানপাটেও চুরি যাচ্ছে। মোটর সাইকেল, বাইসাইকেলসহ সব ধরনের গৃহস্তালী সামগ্রী চুরি হচ্ছে। বৈদ্যুতিক মোটর, হস্তচালিত নলকূপের হ্যান্ডেল, স্কুল, মাদ্রাসা ও মসজিদের ফ্যান খুলে নিয়ে যাচ্ছে। সেচ স্কীমের বৈদ্যুতিক মিটার প্রতি রাতেই চুরি যাচ্ছে। নাগরিকদের অভিযোগ এসব চুরিচামারির সাথে সংঘবদ্ধ দুবৃর্ত্ত এবং মাদকসেবীরা জড়িত। এদের উপদ্রবে বাসাবাড়ির দরজা-জানালা খোলা যায়না। ঘটিবাটি, জামা, জুতো, বালতি থেকে শুরু করে সব ধরনের গৃহস্তালি সামগ্রী নিয়ে যায়।।সন্ধ্যার পর উপজেলা শহর ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে হয় ছিনতাই। ডাকাতি ছিনতাই ও চুরির উপদ্রব বন্ধে করণীয় নিয়ে আজ মঙ্গলবার উপজেলা প্রশাসন এক জরুরী সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমান। বক্তব্য রাখেন গোপালপুুর সেনা ক্যাম্প কমান্ডার মেজর হারুন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ নবাব আলী, থানার ওসি(তদ›ত) সালাউদ্দীন আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর হাবিবুর রহমান, প্রেসক্লাব সভাপতি জয়নাল আবেদীন, ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান প্রমুখ। ক্যাম্প কমান্ডার মেজর হারুন জানান, নির্বাচনের সামনে আইনশৃঙ্খলা অবনতির যে কোন চেষ্টা কঠোর হাতে দমণ করা হবে। ওসি তদন্ত সালাউদ্দীন জানান, থানা পুলিশ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সাধ্যমত চেষ্টা করছেন। দুস্কৃতকারিদের কোন ছাড় দেয়া হবেনা। পুলিশের সাথে সেনাবাহিনীর টহলও চলছে। উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিল্লুর রহমান জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরি বন্ধে পুলিশের সাথে সেনাবাহিনীও যৌথভাবে কাজ করছে।