মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন

ই-পেপার

/ ধর্ম জীবন
বছর ঘুরে আবার এল পবিত্র ঈদুল আজহা। শান্তি, সৌহার্দ্য আর আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে এই উৎসব। আজ সব ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে মিলিত হওয়ার দিন। পবিত্র ঈদুল আজহায় মহান আল্লাহর আরোও পড়ুন...
কোরবানি দিতে হবে শরিয়ত যে ধরনের পশু পছন্দ করে। যেমন- উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ইত্যাদি দিয়ে। এ ধরনের পশুকে কোরআনের ভাষায় বলা হয় ‘বাহিমাতুল আনআম অর্থাৎ অহিংস্র গৃহপালিত
কোরবানির আভিধানিক অর্থ হলো কাছে যাওয়া বা নৈকট্য অর্জন করা। ইসলামি ফিকহের পরিভাষায় কোরবানি হলো জিলহজ মাসের ১০ তারিখ সকাল থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে শরিয়তের
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ৯ জুলাই (শনিবার) ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন (বৃহস্পতিবার) ইসলামী মাস জিলহজ শুরু হতে
কুরবুন বা কোরবানি অর্থ আত্মত্যাগ, উৎসর্গ বা বিসর্জন ইত্যাদি। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহর নামে কোনো কিছু উৎসর্গ করার নামই কোরবানি। প্রচলিত অর্থে কোরবানি হলো পবিত্র
প্রাপ্ত বয়স যেসব মুসলিমের যাওয়া-আসা ও অন্যান্য সব রকম খরচ বহনের সামর্থ্য আছে, তাদের ওপর হজ ফরজ। কেউ হজ ফরজ হওয়ার পর আদায় না করলে আল্লাহ তাআলা তাকে কঠিন শাস্তি
আল্লাহতায়ালা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর জীবনে একবার হজ ফরজ করেছেন। এ মর্মে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, হজ পালনের মাধ্যমে মহান আল্লাহর এ নির্দেশ পালিত হয়। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন : হজের মাধ্যমে
মানুষ সামাজিক জীব। সামাজিক হতে হলে পরোপকারী হতে হবে। একজন অন্যজনের বিপদে এগিয়ে আসা, পাশে দাঁড়ানো, সহমর্মী হওয়া, শুধু নিজের সুখের জন্য ব্যস্ত না হয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে চেষ্টা