মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন

ই-পেপার

অভয়নগরে বাজার কমিটির সভাপতির ভাতিজা বলে কথা

মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৩, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভাঙ্গাগেট বাজার কমিটি সভাপতির ভাতিজা পাপ্পু হোসেন জবরদখল করে বাজারে মানুষের প্রবেশ করা গলি রাস্তার উপর ঘর নির্মাণ করে অবৈধ দখলে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙ্গাগেট যশোর-খুলনা মহাসড়কের পাশে সরকারি জমি অবৈধ দখল করে অসংখ্য দোকান ঘর নির্মাণ করে অসংখ্য ব্যক্তিরা মালিক সেজে ব্যবসা করছেন। ওই বাজারে সাধারণ মানুষের চলাচলের, কেনাকাটার জন্য জন্য প্রবেশমুখে  কয়েকটি গলিরাস্তা রাখা হয়েছে। সামনের দোকানদারদের জন্য পিছনের দোকানগুলোতে কেনাকাটার সুবিধার জন্য  ও সাধারণ মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে একটি বড় গলি রাস্তা রাখা হয়। কিন্তু ক্ষমতা ও প্রভাবশালীদের ইন্ধনে ওই গলি রাস্তাটি বর্তমান বাজার কমিটি সভাপতির ভাতিজা পাপ্পু হোসেন জোর জবরদস্তি করে দোকানঘর নির্মাণ করে  দীর্ঘদিন বন্ধ করে রেখেছে। ফলে আনুঃ ১১টি নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল বিক্রেতারা দোকান  ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। গলি রাস্তা বন্ধ থাকায় এলাকার কোন সাধারণ মানুষ ওই সব দোকান থেকে কোন জিনিসপত্র কিনতে যায়না বা পারেনা। ফলে, ওই ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। বাজারে মানিক নামের এক মুদিমাল বিক্রেতা জানান, আমি দীর্ঘদিন ওই গলিরাস্তার পাশে মুদিমালের দোকান দিয়ে ব্যবসা করি, গলি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় আমি চরম ক্ষতির মুখে পড়েছি, দীর্ঘদিন দোকানে কেনা বেচা না থাকায় আমি তিন লাখ টাকার উপরে ঋনগ্রস্থ হয়েছি। এমন অভিযোগ ওই বাজারের অধিকাংশ ব্যবসায়ীদের থাকলেও থোড়াই কেয়ার করেনা ওই সভাপতির ভাইপো। অনেকে অভিযোগ করে জানান যে, বর্তমান বাজার কমিটির সভাপতি নুরুজ্জামান বলেছিলেন, নির্বাচনে তাকে ভোট দিলে ওই গলিরাস্তার মুখ খুলে দেবে, কিন্তু তাকে ভোট দিয়ে পাশ করানোর পর সে ওই গলিরাস্তার মুখ ঘর ভেঙ্গে খুলে দেওয়ার কোন ব্যবস্থা করছেনা, উল্টো আমাদেরই হুমকি দিচ্ছে। এবিষয়ে ভাঙ্গাগেট বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজা মিয়া বলেন, ওই গলি অনেক আগে থেকেই বন্ধ করা, তখন সভাপতি গোলাম হোসেন ও সেক্রেটারি নুরুজ্জামান সাহেব ছিল, তারা এই সমস্যার সমাধান করেনি, ওই গলির মুখ বন্ধ থাকায় অনেক দোকান ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এটা সত্যি কথা, আমিও চাই বিষয়টি সমাধান করা হোক।
এব্যাপারে ভাঙ্গাগেট বাজার কমিটির সভাপতি নুরুজ্জামান বলেন, ওই ঘর আমরা  ৩০ বছর আগে করেছি, ওই ঘরের জন্য যদি কারো সমস্যা হয় তারা পারলে ঘর ভেঙ্গে দিক, আর ওই বাজারে যে ওইটা গলি ছিলো এটা আমার জানা নেই।
এবিষয়ে যশোর জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুর রউফ মোল্লা বলেন, ওইসব জমি জেলা পরিষদের, আমি এক-দুই দিনের মধ্যে সরেজমিনে যাবো, বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর