লামা বনবিভাগ লামা রেঞ্জের আওতাধীন বমুবিট রির্জাভে চলছে অবৈধ স্থাপনা ও গাছ চুরির হিড়িক পড়েছে। সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গত পরশু রবিবার রাত ১০ ঘটিকার সময় স্হানীয় একটি বনখেকো বাহিনী ধারালো অস্ত্র সস্ত্র সজ্জিত হয়ে স্বয়ং বমুবিট কার্যালয়ের উঠান সংলগ্ন দীর্ঘ অর্ধশত বছর বয়সী ৫ ফুট বেড়ের ২ টি মা সেগুন গাছ কেটে ফেলে নিয়ে যাওয়ার সময় পার্শ্ববর্তী সাবেক প্রবীণ বনজাগিদার হেডম্যান আব্দুস ছালাম ( বাদশা), বিট কর্মকর্তা অঞ্জন বিশ্বাস ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গেলে গাছ চোরেরা পালিয়ে যায়। আরও বেশ কিছু বনবিভাগের জায়গা বনখেকোরা দখলে নিয়ে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে প্রত্যক্ষদর্শী সাবেক বনজাগিরদার হেডম্যান আব্দুস ছালাম (বাদশা) কান্নাজড়িত কন্ঠে উপস্থিত হয়ে লামা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি সাংবাদিক মোঃ নাজমুল হুদা, মোহাম্মদ করিম এলএলবি, সাংবাদিক নাজিম উদ্দীন ও বমু বিটের বনজাগিরদার হেডম্যান আনোয়ার হোসেনকে জানায়, গত রবিবার রাতে বনখেকো দল যে মাদার ট্রি সেগুন গাছ কেটে ফেলে দেয় তাহা আমি নিজ হাতে রোপণ করি ও দীর্ঘ ৫০ বছর নিজের সন্তানের মতো লালন পালন দেখাশুনা করে আসছি আজ সেই গাছ বনখেকোরা কেটে ফেলে দেয়।
পরে শুনতে পেয়েছি ঐগাছে কিছু বিক্রি হয় আর কিছু বিট কর্মকর্তা জব্দ করে তবে কোন মামলা হয়নি।
অপর দিকে বমুবিটের আওতাধীন সামাজিক বনায়নের ৬৮ নং প্লটের উপকার ভোগী কারুনাহারের স্বামী জাকের উক্ত প্লটের ৫/৬ টি আকাশ মনি গাছ কেটে তথায় আবাদি জমিতে পরিনত করে।
এ ব্যাপার বমু রির্জাভ সামাজিক বনায়ন রক্ষনাবেক্ষন কমিটির সভাপতি নুরুল আলম ভুট্টো জানায় এবিষয়ে আমি অবগত আছি। বন বিভাগের কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখতেছি না।
সরজমিনে আরো জানা যায়, গত ৩ মাসে বমু বিট এলাকায় সরকারি রির্জাভে ১৫/২০ টি অবৈধ পাকা স্হাপন তৈরী করা হয় এবং এখন চলছে। বমু রির্জাভের গাছ চুরি, সামাজিক বনায়নের ক্ষতি সাধন ও অবৈধ স্হাপনার বিষয়ে বমু বিট কর্মকর্তা অঞ্জ বিশ্বাসের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি জানান,
আমরা এসব বিষয়ে বনবিভাগ ওয়াকিবহাল রয়েছে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যাবস্হা গ্রহন করিব।