ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের তশরা গ্রামের রফিকুল ইসলামের মাদ্রাসা পড়ুয়া অপ্রাপ্ত বরস্ক ছাত্রীকে অপহরনের অভিযোগে মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) নান্দাইল মডেল থানায় তশরা গ্রামের মৃত কেরামত আলীর পুত্র শামীম মিয়া (৩৫) ঘোষাই চাদুরা গ্রামের মন্নাছ মিয়ার পুত্র খোকন মিয়া সহ অজ্ঞাত ২/৩জনের নামে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত ২০২০) এর ৭/৩০ ধারা ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরর্প্বূক অপহরণ ও সহায়তা করার অপরাধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বিবরণ থেকে জানাগেছে, উক্ত ছাত্রী (১৩) তশরা মহিলা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। মামলার ১নং আসামী শামীম মিয়া তাকে উত্যক্ত সহ বিরক্ত এবং প্রেম ভালবাসার প্রস্তাব দিত। এমতাবস্থায় গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে উক্ত ছাত্রী নানার বাড়ি সাটিহারি গ্রামে যাবার পথে অস্ত্রের মুখে জোরপূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ করে অটো রিক্সা করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে অপহরণ কারীদের জিম্মায় থেকে ৫দিন পরে সে কৌশলে পালিয়ে বাড়িতে আসে। নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, উক্ত অপহরনের ঘটনায় থানায় ৩জনের নাম সহ অজ্ঞাত ২/৩জনের নামে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাব ইন্সপেক্টর আশরাফ ফারুককে মামলা তদন্তকারী অফিসার নিযুক্ত করা হয়েছে। ভিকটিম ছাত্রীর কোর্টে জবান বন্দী নেয়া হয়েছে এবং মামলার সাথে জড়িত অজ্ঞাত সহ সকল আসামীদের গ্রেফতার করার চেষ্ঠা চলছে। এদিকে ৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সংবাদ কর্মীদের জানান, অপহরনের পর তাকে ৫দিন আটক রেখে শামীম মিয়া ২দিন তার সাথে শারীরিক মিলন করেছে।