ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৭নং মুশুলী ইউনিয়নের মেরেঙ্গা রফিক মার্কেটের ১৪২৯ বংলা সনের ৪ মাস চললেও ইজারা ডাকের সরকারী টাকা এখনও জমা না করার এক গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ১৪২৯ বাংলা ১ বছরের জন্য বাজারের দরপত্র আহবান করা হলে মেরেঙ্গা গ্রামের মো. আশরাফ উদ্দিন ভূইঁয়া ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকায় বাজারটি ইজারা গ্রহন করেন। সরকারী বিধি মোতাবেক বাজার ইজারা প্রাপ্তির ৭দিনের মধ্যে সরকারী কোষাগারে ইজারা ডাকের সাকুল্যে টাকা জমা দিয়ে বাজার দখলে যেতে হয়। কিন্তু এই বাজারের ক্ষেত্রে সরকারী নিয়মনীতি না মেনে ইজারাদার কর্তৃক অর্ধকোটি টাকা জমা না দিয়েই বাজারের খাজনা আদায় করে যাচ্ছে। সপ্তাহের প্রতি রোববার বিশাল গরুর হাট থেকে লাখ লাখ টাকা খাজনা আদায় করে যাচ্ছে। প্রতি রোববার ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ হাইওয়ে সড়ক দখল করে গরুর বাজার বসানো সহ বাজারের রাস্তায় ট্রাক, মিনি ট্রাক, পিকআপ রেখে যানজট সহ নানা দুঘর্টনার সৃষ্টি হয়ে থাকে। বাজারের কোথাও খাজনা আদায়ের টোল চার্ট দেয়া হয়নি। এতে অন্যান্য মহাল থেকে বেশী হারে খাজনা আদায় করার অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নান্দাইল উপজেলা শাখার সভাপতি সিনিয়র আইনজীবি এডভোকেট মকবুল হোসেন সরকার জানান, ইজারা ডাকের টাকা বাকী রেখে বাজারের দখলে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই। এক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইজারা ডাক বাতিল করে পুনরায় বাজারের ডাক দিতে হবে। নান্দাইল উপজেলার সবচেয়ে বড় গরুর বাজারের ইজারাদার সরকারী ডাকের টাকা জমা না দিয়ে বাজারের খাজনা আদায় করার বিষয়টি সম্পূর্ন বাজার ডাকের নীতিমালার পরিপন্থি বলে জানাগেছে। সরকারী ইজারা ডাকের টাকা আদায় করার স্বার্থে জরুরীভাবে বর্তমান ইজারা ডাক বাতির করে নতুন করে পুনরায় ইজারা ডাক দেবার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ জোরদাবী জানিয়েছেন। এছাড়া রোববার যাতে হাইওয়ে রাস্তায় গরুর বাজার বসাতে না পারে এর জন্য হাইওয়ে পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য এলাকাবাসী জোরদাবী জানিয়েছেন।