বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

ই-পেপার

নাগরপুরে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি রক্ত গ্রুপ নির্নয় অনুষ্ঠিত

ডা.এম.এ.মান্নান, স্টাফ রিপোর্টারঃ
আপডেট সময়: রবিবার, ৮ মে, ২০২২, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ

আজ বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষ্যে টাংগাইল জেলার ঐতিহ্যেবাহী সেবামূলক প্রতিষ্ঠান মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ফ্রি  রক্ত গ্রুপ নির্নয় কর্মসৃচী পালন করা হয়েছে।
রবিবার(০৮ মে ২০২২ খ্রি.) বিকালে আহাম্মদ হোসেন হোমিও ক্লিনিক এর প্রধান কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও বিনামূল্যে রক্ত গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চিকিৎসক নেতা ডা.এম.এ.মান্নান এর  সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল হোমিও মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা.মো.তোফাজ্জল হোসেন।
প্রধান অতিথি ডা.তোফাজ্জল বলেন- থ্যালাসেমিয়া রক্তস্বল্পতাজনিত বংশগত রোগ। বাবা-মা উভয়ে যদি ত্রুটিপূর্ণ জিন বহন করেন তাহলে তাদের সন্তান থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে। সচেতনতার অভাবে আমাদের দেশে এই রোগের বাহকের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। ব্যাপক জনগোষ্ঠী এখনো এই রোগ সম্পর্কে সচেতন নয় এবং বাহক নির্ণয় হয়নি। ফলে বাহকের সংখ্যা দিনকে দিন বেড়ে যাচ্ছে।
 সভাপতি ডা.এম.এ.মান্নান বলেন-থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের শরীরে রক্তের লোহিতকণিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি হয় না। ফলে এদের মারাত্মক রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। থ্যালাসেমিয়া রোগীরা প্রতি মাসে এক-দুই ব্যাগ রক্ত গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। চিকিৎসা না করা হলে এই রোগী রক্তশূন্যতায় মারা যায়। মানবকোষে রক্ত তৈরি করার জন্য দুটি জিন থাকে। কোনো ব্যক্তির রক্ত তৈরির একটি জিনে ত্রুটি থাকলে তাকে থ্যালাসেমিয়া বাহক বলে, আর দুটি জিনেই ত্রুটি থাকলে তাকে থ্যালাসেমিয়া রোগী বলে।শিশু জন্মের এক থেকে দুই বছরের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগ ধরা পড়ে। এই রোগের লক্ষণগুলো হলো ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, ঘন ঘন ইনফেকশন, শিশুর ওজন বৃদ্ধি না হওয়া, জন্ডিস, খিটখিটে মেজাজ ইত্যাদি। থ্যালাসেমিয়া রোগের কোনো সহজলভ্য স্থায়ী চিকিৎসা বা টিকা নেই। এ রোগ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হচ্ছে প্রতিরোধ। স্বামী-স্ত্রী দুজনই যদি থ্যালাসেমিয়া বাহক হন, শুধু তখনই সন্তানদের এ রোগ হতে পারে। কিন্তু স্বামী-স্ত্রী দুজনের একজন যদি বাহক হন এবং অন্যজন সুস্থ হন, তাহলে কখনো এ রোগ হবে না। তাই বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া বাহক কি না, তা সবারই জেনে নেওয়া দরকার।
আলোচনা সভা ও ফ্রি রক্ত গ্রুপিং নির্ণয় কর্মসূচীতে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা.আজিজুর রহমান,মেডিকেল অফিসার ডা.কাউছার খান সহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিগণ।
এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন সচেতনতামূলক প্রচারণা চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ। 

 

#CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর