এপারে টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলা, ওপারে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার শতাধিক গ্রাম। মাঝখানে খরস্রোতা বংশাই নদী। এই নদী পাড়ি দিয়েই অন্তত দশ হাজার মানুষকে প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। নদীতে একটি সেতু নির্মাণের জন্য এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে এলেও সুফল পায়নি। তাই যুগের পর যুগ ধরে খেয়ানৌকায় করে মানুষ নদী পারাপার করতে হচ্ছে।
কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন অর রশিদ বলেন, ‘একটি সেতুর জন্য ভুক্তভোগী মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই মানববন্ধন, সমাবেশসহ নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করে আসছে। কিন্তু সেতু নির্মাণে কার্যকর কোনো উদ্যোগই চোখে পড়ছে না। এ অবস্থায় দুটি উপজেলার অন্তত ৫০ হাজার মানুষ সেতুর অভাবে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। দাবি জানাতে-জানাতে এখন সাধারণ মানুষ হতাশ হয়ে পড়েছে।
বাসাইল ও মির্জাপুর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অর্ধশতাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কাঞ্চনপুরের আশপাশের শতাধিক গ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও, এসব গ্রাম তাদের উপজেলা সদর থেকে অন্তত ১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। তাই এসব গ্রামের মানুষ নদীর ঠিক ওপারে অবস্থিত মির্জাপুর উপজেলা পাথরঘাটা বাজার থেকে শুরু করে শিক্ষা-চিকিৎসাসেবা নিয়ে থাকে। এসব মানুষের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে পাথরঘাটা বাজারে। এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত এই সেতু নির্মাণ করা হয়।