রেলওয়ে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ের পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের উপর মার্কেট নির্মাণ করছে সৈয়দপুর পৌরসভা। রেলওয়ে কারখানা অধ্যুষিত শহর সৈয়দপুর। রেলকে সচল রাখতে এই ওয়ার্কশপ রেলের জন্য মেডিকেল টিম হিসেবে কাজ করছে। রেলওয়ের ওয়ার্কশপটিকে বন্যার হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে রেলের নিজ জমিতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার করে গেছেন বৃটিশ সরকার। রেলের জমি হওয়া সত্বেও ড্রেনের উপর অবৈধভাবে মার্কেট নির্মান করছে সৈয়দপুর পৌরসভা। এই মার্কেট নির্মানের ফলে হুমকি মুখে পড়ছে রেলওয়ে কারখানা।
অবৈধভাবে মার্কেট নির্মানের সংবাদ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের। বাংলাদেশ রেলওয়ে সৈয়দপুর এএসএই/ওয়ার্কস এর কার্যালয়ের শরিফুল ইসলাম কর্তৃক পাঠানো স্বারক নং-
কিওসি/১-৬৩ তারিখ ০২/০৩/২০২২ বিস্তারিত চিঠিতে ওই মার্কেট নির্মানের কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেয় রেলওয়ে। কিন্তু রেলের নিষেধ অমান্য করে নির্মান কাজ চালিয়ে যায় পৌরসভা। এ নিয়েও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয় সংবাদ। সরেজমিনে গত ১৩ এপ্রিল সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হুসাইনের উপস্থিতিতে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেন রেলের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নুরুজ্জামান। কাজ বন্ধ করে দেওয়ার পরও কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আবারো পুরোদমে মার্কেট নির্মানের কাজ চালাচ্ছে পৌরসভা। সরেজমিনে শনিবার (১৬ এপ্রিল) সংবাদকর্মীরা নির্মান কাজে ছবি তুলতে গেলে স্থানীয় ভূমিদস্যুদের বাধার সম্মুখীন হয়।নির্মান কাজ বন্ধ করে দেওয়া সত্তেও আবারো নির্মান কাজ শুরু করার বিষয়ে সৈয়দপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র জোবাইদুর রহমান শাহিন বলেন,রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কাজ জায়গাটি পরিদর্শনে এসেছিল। তারা কাজ বন্ধ করেনি। এবিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিম হুসাইন বলেন,বিষয়টি আমাদের নয়, এটি দেখবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।সরেজমিনে এসে কাজ বন্ধ করে দেওয়া রেলওয়ের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নুরুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন,আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। ওটা রেলের সম্পদ কোনোভাবে কাজ করতে পারবে না। কাজ করলে সেটি বেআইনিভাবে করতেছে। বিষয়টি আমি রেল মন্ত্রনালয়ে জানাবো।’নির্বাহী প্রকৌশলী (এ.ই.এন) আহছানুদ্দীন বলেন, কোনোক্রমে তারা কাজটি করতে পারবে না। বিষয়টি আমি এখনে দেখছি।
#CBALO/আপন ইসলাম