করোনার বিধি নিষেধ শেষে দীর্ঘ দুই বছর পর রামগড়ে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ পালন করা হয়েছে।আর এ পহেলা বৈশাখে বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সেতুতে ঘুরতে আসে হাজার হাজারদর্শনার্থী।টানা তিন দিন বন্ধ থাকায় পর্যটকদের ঢল নেমেছে মৈত্রী সেতুতে।এই বহুল প্রতীক্ষিত সাফল্য দেখার জন্য প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, মাইক্রোসহ বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে শত শত লোক ছুটে আসছেন নান্দনিক এই সেতুটি দেখতে রামগড়ের সীমান্তবর্তী মহামুনি এলাকায়।
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ এই সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে সাবেক মহকুমা শহর রামগড়ের আকাশে দেখা দিচ্ছে আলোর রেখা।এ সেতুকে ঘিরেদীর্ঘদিন ধরে অার্থ -সামাজিকভাবে অগ্রগতির আশার আলো দেখেছিলেন স্থানীয়রা।তাই উদ্বোধনের পর সেতুটি একনজর দেখার জন্য ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। কিন্তু নিরাপত্তার কথা ভেবে সেতুর উপরে উঠতে বাধা দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী।
সরেজমিনে মৈত্রী সেতু এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,পহেলা বৈশাখের দিন থেকে মৈত্রী সেতু দেখতে ভিড় করছে পর্যটকরা।বৈশাখী সাজে হাজারো মানুষের ভিড়, আনন্দোচ্ছ্বাস আর কোলাহলে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।পরিবার,পরিজন আর প্রিয় মানুষ নিয়ে ঘুরতে এসেছে মানুষ।কয়েকজন পর্যটক জানান,টানাতিনদিনের ছুটি পেয়ে নিজ এলাকার পহেলা বৈশাখ উপভোগ করতে এলাকায় এসেছেন তারা।
সাহেনাআক্তার নামের এক পর্যটক জানান,পহেলা বৈশাখ এলে তার খুব ভালো লাগে। এইদিন সবাই ঘুরতে বের হয়।মৈত্রী সেতুতে তার অনেক পরিচিত মানুষের সাথে দেখা হয়েছে। খুব ভাল লাগছে।।
আব্দুর রহমান নামের একজন জানান,টানাতিনদিনছুটি।তাই ঢাকা থেকে বাড়ি এসেছেন।পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব।একসময় এটি শুধু হাল খাতায় সীমাবদ্ধ ছিলো।এখন শহর ছাড়িয়ে গ্রামেও বিপুল উৎসাহউদ্দীপনায় এটি পালন হচ্ছে।তিনি আরো জানান,মৈত্রী সেতু রামগড়ের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে সহায়তা করবে।আর সে মৈত্রী সেতু দেখতে তাই পরিবার নিয়ে এসেছেন।
রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মোহাম্মদ শামসুজ্জামানজানান,পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে সেতু এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
#CBALO/আপন ইসলাম