বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :

তালার মানিকহার দ্বিমুখি দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী বিয়ে,  শিক্ষক খায়রুল এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপে হতে পারেন বরখাস্ত

স্টাফ রিপোর্টার:
আপডেট সময়: সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১, ৪:০৮ অপরাহ্ণ

আলোচিত সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়ন এর মানিকহার দ্বিমুখী দাখিল  মাদ্রাসা কম্পিউটার শিক্ষক খায়রুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে নাবালক ছাত্রী বিয়ের অভিযোগের সংবাদে তদন্ত পূর্বক ব্যাবস্হয় হতে পারে বরখাস্ত। গত ১৬/১০/২১ তারিখে স্হানীয় আঞ্চলিক পত্র পত্রিকা সহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে স্কুল কতৃপক্ষ।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা জায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক খায়রুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে গত সেপ্টেম্বর মাসের ২০ তাং এর পর স্কুল কতৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন তার ১ ম স্ত্রী তানিয়া সুলতানা। অভিযোগে মাদ্রাসার কম্পিউটার শিক্ষক খায়রুল ইসলাম তাকে না জানিয়ে মেয়ের বয়সী একই মাদ্রাসার  ১০ ম শ্রেনীর ছাত্রীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক ও ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন তার প্রতিকার পাওয়ার জন্য লিখিত অভিযোগ এর মাধ্যমে প্রতিকার চান। অভিযোগ পাওয়ার পর মাদ্রাসা কতৃপক্ষ তাদের শিক্ষক খায়রুল ইসলাম এর কাছে ছাত্রী বিয়ের কথা জানতে চাইলে খায়রুল বলেন আমি কোন বিয়ে করিনি বলে একাধিক শিক্ষকের কাছে মিথ্যা কথা বলতে তাকে কোন ক্রমেই তাকে বিয়ের কথা স্বীকার করানো যায় নি। তলে তলে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক খায়রুল  ইসলাম ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য জোর চেষ্টা চালাই। ফলশ্রুতিতে   স্হানীয় ১ ধানদিয়া  ইউনিয়ন পরিষদ এর নব্য নির্বাচিত মেম্বর এস এম টুটুল এর নেতৃত্বে প্রায়  ৪০ জনের উপস্হিতিতে একটি গ্রাম্য শালিশী বৈঠকে খায়রুল ইসলাম মাদ্রাসার ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন বলে স্বীকার করেন। সেখানে এক পর্যায়ে উগ্রপন্থী কথাবার্তার ফলে শালিশ বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় কোন সমাধান করা সম্ভাব হই নি। পরবর্তীতে সুচতুর খায়রুল ইসলাম তার ১ ম স্ত্রী তানিয়া সুলতানার সাথে যোগাযোগ করে তার নিজের কাছে নিয়ে আসে। তানিয়া সুলতানা তার স্বামীর কথায় বিশ্বাস করে বাপের বাড়ি হতে খায়রুল ইসলাম এর বাড়ি আসলেও বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে রাত্রি যাপন করে দিন কাটে তাদের। খায়রুল ইসলাম তার নিজের বাড়ি না তুলে অভিযোগ না ওঠালে বাড়ি যাওয়া যাবেনা,নানা সমস্যা আছে বলে ভুল বুঝিয়ে তানিয়ার নিকট হতে  ১০/১০/২১ তারিখের একটা শাড়ে চার লাইন লেখা আপোষ নামার একটা সাদা কাগজ মাদ্রাসা সুপার এর নিকট ধরিয়ে দেন চতুর খায়রুল ইসলাম। মাদ্রাসা কতৃপক্ষ মনে করেছিলের তাদের সমস্যা মিটে গেছে বলে মনে করেন। কিছুদিন পর খায়রুল ইসলাম তার স্ত্রী তানিয়া সুলতানা কে তার বাবার বাড়ির সামনে রেখে চলে যায়। পরে বিষটি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশ হলে নড়েচড়ে বসেছেন মাদ্রাসা কতৃপক্ষ। মাদ্রাসা সুপার ফজলুল রহমান বলেন শিক্ষক খায়রুল এর এহেন কাজে আমরা লজ্জিত তবে তার বিরুদ্ধে কাল মিটিং এ কঠিন সিদ্ধান্ত নেব বলে আশা করছি।

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর