জামালপুরের বকশীগঞ্জে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তপছিল ঘোষনা না হলেও জমে উঠেছে মনোণয়ন যুদ্ধ। ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এই উপজেলায় জাতীয় নির্বাচনে ভিন্ন হলেও স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের অবস্থা বরাবরই নাজুক।
তাই প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও ভোটারদের মাঝে গ্রহনযোগ্যতার ভিত্তিতে মনোনয়ন না দিলে বেকায়দায় পড়তে হবে সরকারীদলীয় আওয়ামীলীগ সমর্থন ভোটাররা ও সাধারন ভোটাররা।
১নং ধানুয়াকামালপুর ইউনিয়নটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত হলেও টানা তিনবার আওয়ামীলীগের ভরাডুবি হয়েছে। টানা তিনবার চেয়ারম্যান পদে হ্যাটট্রিক করেছেন বাবুল চিশতির শ্যালক মোস্তফা কামাল । দুর্নীতির দায়ে বাবুল চিশতি বর্তমানে জেল হাজতে এবং বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার কারণে তিনি এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না।
এই ইউনিয়ন থেকে আওয়ামীলীগের ৯ জন মনোনয়ন পত্র কিনেছেন। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া হাসান জুবায়ের হিটলার ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভবনা থাকলেও মুলত বাবুল চিশতির প্রভাবের কাছে নির্বাচনের আগেই দলীয় সিদ্ধান্তে নির্বাচন বর্জণ করেছেন। এবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন কিনেছেন। এবার কামালপুর ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন যুদ্ধে তার শক্ত প্রতিপক্ষ হচ্ছে বকশীগঞ্জ উপজেলা যুবমহিলা লীগের সভাপতি জহুরা বেগম।
স্থানীয় এমপি আবুল কালাম আজাদের আস্থাভাজন জহুরা বেগম মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। এছাড়া জেলা আওয়ামীলীগের একাধিক নেতা ও কেন্দ্রীয় যুবমহিলা লীগসহ জামালপুর জেলা যুবমহিলা লীগের সাথে সু-সর্ম্পকের কারণে মনোনয়ন যুদ্ধে জয়ের খুবই কাছাকাছি রয়েছেন বলে তার সমর্থকরা মনে করছেন। এছাড়া দীর্ঘদিন যাবত রাজনীতির পাশাপাশি সমাজ সেবা কাজের সাথে সম্পৃক্ত।
এই দুজন ছাড়াও সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তুফা, ইউপি সদস্য নুরজাহান বেগম অঞ্জলী, আবুল খায়ের আজাদ, মাইনুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, মশিউর রহমান লাকপতি, মোক্তারুজ্জামান মনোনয়ন যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন।
কামালপুর ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজার ২৮২ জন। এদের মধ্যে মহিলা ভোটার সংখ্যা ৭ হাজার ৯০৭ জন ও পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৭ হাজর ৩৭৩। চলছে চলবে আগামীতে বিস্তারিত।
#চলনবিলের আলো / আপন