বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
“জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ” গুরুদাসপুরে পুরস্কার পেলেন বিজয়ী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না -বিজিবি কক্সবাজারে সাংবাদিকের কাছে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি: না পেয়ে গাড়ি ছিনতাই ও স্ত্রীকে শ্লীলতাহানি বিএনপি’র সকল নেতাকর্মীদের ঘোড়া মার্কা প্রতীকের নির্বাচনের আহবান জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন আটোয়ারী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ফ্ল্যাট কেনা থেকে শুরু করে বিক্রয়োত্তর সেবা মিলবে যে মেলায় কক্সবাজারে আনোয়ার সিমেন্ট শীট এর রিটেলার কনফারেন্স ২০২৬ অনুষ্ঠিত আটঘরিয়ায় ৯ম পে স্কেলের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মবিরতি পালন

নদী ভঙ্গনে আর কত কাঁদবে চৌাহালীর মানুষ

মাহমুদুল হাসান, চৌাহালী:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৫:২৩ অপরাহ্ণ

যমুনা নদীর পানি কমছে, আর ভাঙ্গনের তান্ডবলীলা শুরু করেছে। আর কত কাঁদবে  ভাঙ্গন কবলিত  মানুষ।
সিরাজগঞ্জের দক্ষিণ চৌহালর চরসলিমাবাদ, বিনানই, চর নাকালিয়া  মিটুয়ানি  । এরই মধ্যে নদী গর্ভে চলে  গেছে প্রায় ২ শত বাড়িঘর, স্কুল, মাদ্রাসা সহ কয়েক শত একর ফসলি জমি। হুমকির মুখে পড়েছে আরও প্রায় ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। তাই ভাঙ্গনে বিধ্বস্ত উপজেলার বাকি অংশ টুকু রক্ষার জোর দাবি জানিয়েছেন এখানকার বসবাস কারী অসহায় মানুষেরা ।
সিরাজগঞ্জ জেলার মানচিত্রে চৌহালীর স্থান থাকলেও আর কিছুটা ভাঙলে বাস্তবে খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা উপজেলার দক্ষিণাঞ্চল।  খাষপুখুরিয়া, বাঘুটিয়া ও উমারপুর এলাকা সেই চিন্তা এখানকার মানুষের মনে ৷
দুর্গম ঘোষিত এউপজেলার যাতায়াত ব্যবস্থা আর দফায় দফায় নদী ভাঙনের কারনে জেলা শহর থেকে  অনেকটাই বিচ্ছিন্ন দীপ।
ভাঙ্গনের তান্ডবলীলায় হুমকির মূখে পড়েছে
সম্ভুদিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সম্ভুদিয়া আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা, সম্ভুদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরবিনানই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুম্ভূদিয়া মঞ্জুর কাদের কলেজ, সুম্ভূদিয়া পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিনানই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঘুটিয়া কারিগরি কলেজ, মিটুয়ানও বি সিএস সহ  ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন ও বসতভিটে থেকে শুরু করে ফসলী জমিও। গত সাত দিনে  খাষপুখুরিয়া থেকে বাঘুটিয়া ইউনিয়নের তিন কিলোমিটার অঞ্চলে প্রায় ২০০টি বসতবাড়ি ও একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নদীতে হারিয়ে গেছে।
এছাড়া তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে রেহাই পুখুরিয়া পশ্চিমপাড়া, মিটুয়ানী, চর বিনানই ও চর সলিমাবাদ এলাকায়। ভাঙ্গন রোধে সেখানে মানববন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে জানানো হলেও মিলছে না স্থায়ী কোনো প্রতিকার। তাই স্থানীয়দের জোর দাবি ভাঙন রোধে চাই স্থায়ী বাঁধ।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, নদী ভাঙন রোধে উপজেলার কয়েকটি এলাকায় কাজ চলমান রয়েছে।
সংসদ সদস্য আলহাজ আব্দুল মমিন মন্ডল জানান, এ অঞ্চলে নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণসহ নানা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষা চলে গেলে  এ স্থানে স্থায়ী  বাঁধের কাজ শুরু হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর