বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত মেঘা প্রজেক্টের মাধ্যমে বাধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ভাঙ্গন রোধে পরিবেশ ও পর্যটনবান্ধব প্রতিরক্ষা,চায়না এবং বেরীবাধ নির্মাণের বাউবোর উদ্যোগকে স্বাগত জানান নদীর পার ঘেষা মানুষ।
যমুনা নদীর পার ঘেষা কয়েক জন জাতীয় সংসদ সদস্যর যৌথ উদ্যোগে যমুনা সেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত প্রায় ৮ ‘শত কোটি টাকার মেঘা প্রকল্প ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।
নদীর পার ঘেষা ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ভুক্তভোগি মানুষ ত্রাণ ও সাহায্য চায় না তারা বাধ চায় ও যমুনা সৈকত দ্রুত বাস্তবায়ন দেখতে চায়। বর্ষা মৌসুমসহ সারা বছরই যমুনায় ভাঙ্গন দেখা যায়। যমুনাসেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত নদী ভাঙ্গন রোধ কমিটি, পরিবেশবাদী ও শিশু কিশোর বই খাতা হাতে নিয়ে দৃশ্যমান, দৃষ্টিনন্দন বা চায়না বাধ ও সড়ক পথ চায়। মেঘা প্রজেক্ট ফাইল একনেকে পাস ও কাজ সরেজমিনের দিকে তাকিয়ে আছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনী কোথায় আর কত বার বাড়ি ও স্কুল ভাঙ্গলে টেকশই বাধ হবে।যমুনার পুর্ব পারের টাংগাইল, মানিকগন্জ ও সিরাজগন্জের মানুষ ত্রাণ ও সাহায্য চায় না, তারা টেকশই বেরীবাধ,চায়নাবাধ ও দৃষ্টিনন্দন বাধ দেখতে চায়।
যমুনা সৈকতকে ঘিরে প্রতিরক্ষা বা চায়না বাধ নির্মাণ করা হলে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে ঘুচবে যুব সমাজের বেকারত্ব।
টাংগাইল, মানিকগন্জজে ও সিরাজগন্জ জেলার যমুনা নদীর পার ঘেষা মানুষের বেচে থাকার আশ্রায় পাবে। হবে যমুনা সৈকত ও পর্যটন কেন্দ্র।
যমুনাসেতু আরিচা পর্যন্ত দীর্ঘ ৬০ কিলোমিটার নদীর পার শাসন বাধ,বেরীবাধ, চায়নাবাধ ও সড়ক পথ স্থাপনে চৌহালী হতে পারে যমুনা সৈকত, পর্যটন বান্ধব শহর ও বিনোদন কেন্দ্র।
এপ্রকল্প বাস্তবায়নে যেমন কর্মসংস্থান হবে,তেমনি ভাঙ্গন রোধ হবে ও যাতায়াতে বাচবে সময় কমবে ভোগান্তি। বাংলার উন্নয়ন ধারা আরও গতিশিল করতে চৌহালীতে একাজের বড় প্রয়োজন বলে মনে করেন,কৃষক,শ্রমিক, চালক, ছাত্র,শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ও বুদ্ধিজীবিরা।
#চলনবিলের আলো / আপন