২০২০ সালের ২৮ শে অক্টোবর স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসি সহ কিছু সংবাদ মাধ্যমে সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ এর সভাপতি আশরাফুজ্জামান টুটুল এর সোনাইবিল দখল শিরোনামে একটি সম্পুর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদ পরিবেশিত হয়। যার উপর নির্ভর করে কোন রকম তদন্ত ছাড়াই আশরাফুজ্জামান টুটুল কে সাঁথিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করে পাবনা জেলা যুবলীগ।প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সাঁথিয়া উপজেলার সর্বস্তরের হাজার – হাজার নেতাকর্মীরা সঠিক তদন্ত ও ন্যায় বিচারের দাবিতে দফায় দফায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করলেও তার কোন সুফল পাওয়া যায় নি। যার ফলে নিষ্প্রাণ হয়ে পড়েছে সাঁথিয়া উপজেলা যুবলীগ।
ডিবিসি চ্যানেলে প্রচারিত সংবাদে দেখা যায়, আব্দুল মান্নান নামক একজন আশরাফুজ্জামান টুটুল কে দখলদার চিহ্নিত করে বক্তব্য প্রদান করে যার সাথে বিলের কোন সম্পর্ক নেই বরং তিনি বিল দখল মামলার আসামী । এমনকি তিনি গৌরীগ্রাম ইউনিয়ন জামাতের অন্যতম নেতা ও বিশিষ্ট মাদক সম্রাট যে এলাকায় ডাল মান্নান হিসাবে পরিচিত।
লিজসুত্রে সোনাইবিলের মালিক বাদল হালদার, যিনি নন্দনপুর মৎসজীবি সমিতির সভাপতি তিনি আশরাফুজ্জামান টুটুল কে অভিযুক্ত করে কখনো কোন অভিযোগ করেন নি। এমনকি তারা জনৈক শুভ মন্ডল এন্ড গং দের হাত থেকে সোনাইবিল দখলমুক্ত করার জন্য বারবার বিভিন্ন পর্যায়ে অভিযোগ করেছেন।
প্রকাশিত সংবাদে আশরাফুজ্জামান টুটুল এর বিপক্ষে মাসুদ রানা কে অপহরণ করে নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয় যা সম্পুর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এই মর্মে সাঁথিয়া থানায় তিনি কোন অভিযোগ দেননি। ভুক্তভোগী মাসুদ রানার ভাই মিল্টনের সাক্ষর নকল করে জনৈক হলুদ সাংবাদিক থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত সাপেক্ষে এই মর্মে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করেন সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ। যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় বিল দখল ও মাসুদ রানা কে অপহরণের সাথে আশরাফুজ্জামান টুটুল কোন ভাবেই জড়িত ছিলেন না এমনকি তার নামে থানায় কোন রকম অভিযোগ নেই। প্রকৃত দখলদার শুভ মন্ডল কে আড়াল করতে একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে আশরাফুজ্জামান টুটুল এর বিপক্ষে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায়।
সকল পর্যায়ের তদন্ত ও পরীক্ষা – নিরীক্ষার পরও একজন আদর্শবান কর্মীবান্ধব নেতার অব্যাহতি না ওঠায় উপজেলা ব্যাপী ক্ষোপের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা অতি দ্রুত আশরাফুজ্জামান টুটুল কে স্বপদে বহাল করে সংগঠন কে গতিশীল ও বেগবান করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আশরাফুজ্জামান টুটুল বলেন, এই বিলের সাথে আমি কোন রকম ভাবে সম্পৃক্ত নই। উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে আশরাফুজ্জামান টুটুল তার বিপক্ষে আনীত সকল অভিযোগের বিপক্ষে স্পষ্ট প্রমানাদি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ একটি মানবিক সংগঠন। আমার বিপক্ষে নেওয়া সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত কে আমি সাধুবাদ জানাই । কিন্তু বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর সফল চেয়ারম্যান বদলে যাওয়া যুবলীগের পথ প্রদর্শক শেখ ফজলে শামস্ পরশ ভাই ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান নিখিল ভাই এর নিকট আমার আকুল আবেদন তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংগঠন কে কলংকমুক্ত করুন কেননা এই অপবাদ শুধু আমার নয় সংগঠন এর বিপক্ষে , এই চক্রান্ত শুধু আমার নয় সংগঠনের বিপক্ষে। যারা সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত তাদের বিপক্ষে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
#আপন_ইসলাম