স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ৯ নং ব্রক্ষরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলা শীবতলা গ্রামের মৃত আকছেদ কারিগরের ছেলে কবিরুলের স্ত্রী আছিয়ার অবৈধ সম্পর্কের জেরে আছিয়া তার স্বামী কবিরুল কে তালাক প্রদান করে। জানা জায় একই উপজেলার বকচারা গ্রামের ভ্যান চালক আক্তার সরদারের মেয়ে আছিয়ার ৭ বছর আগে মাছখোলা শীবতলার মৃত আকছেদ কারিগরের ছেলে কবিরুল এর সাথে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। তাদের ৬ বছের বয়সী একটা কন্যা সন্তান আছে। তাদের সংসার ভাল চললেও স্বামী করিরুল শারীরিক ভাবে হালকা অটিজম হওয়ার ভারী কাজ করতে না পারায় তার বাড়ির সাথে চায়ের দোকান দিয়ে কোন রকম সংসার চালান। চায়ের দোকানই তার সংসারের কাল হয়ে দাড়ায়। কবিরুলের চায়ের দোকানে এলাকার বেশিরভাগ উঠতি বয়সী ছেলেদের ভীড় লক্ষকরা যেত।
চায়ের দোকানে যাতায়াতের সুবাদে এলাকার একটি ছেলের সাথে কবিরুলের স্ত্রী আছিয়ার অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। যেটি আছিয়ার স্বামী কবিরুল সহ পরিবারের সদস্যরা বুঝতে পেরে কয়েকবার তাকে শোধরানোর কথা বললে কর্নপাত করতো না আছিয়া। প্রায় সংসারে অশান্তি করত আছিয়া। একটি কন্যা সন্তান থাকায় কবিরুল অসহায় অবস্থায় চলতে থাকে। কিছুদিন আগেও পারিবারিক ভাবে স্হানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তীদের মাধ্যমে মিমাংসা করা হয়। কয়দিন যেতে না যেতেই অবৈধ প্রেমিকের সাথে গভীর রাতে মোবাইল ফোনে কথা বলে আছিয়া। এক পর্যায়ে করিরুল তার মোবাইল নিয়ে নিলে দেখা যায় ফোনে স্হানীয় যুবকের সাথে কয়েকটি অন্তরঙ্গ ছবি ও মেসেনজ্বার চ্যাট। স্ত্রীর অবৈধ প্রেমিকের সাথে ছবি তোলা নিয়ে কথা বলতে চাইলে কবিরুল বলে আমার একটা মেয়ে আছে আমার সংসার করতে চাইলে আমি মেনে নেব। কিন্তু তার স্ত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায় সে কবিরুলের সংসার আর করবে না। এলাকার মেম্বর, মহিলা মেম্বার, মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান, স্হানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি সহ একাধিক মানুষ আছিয়াকে বোঝালেও সে কবিরুলের সংসারে থাকতে অসিকৃতি জানায়।
বিষয়টি আচিয়ার পিতা মাতাকে জানালেও তারা মেয়ের এমন কর্মের ফলে তারা আসবেন না বলে জানিয়ে দেন।স্হানীয় থানাকে বিষয়টি অবিহিত করলে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন তারা। পরে আছিয়ার নিকট আত্মীয় (নানী) এসে আছিয়াকে বুঝালেও কবিরুলের সংসার করবে না বলে জানিয়ে দেয় আছিয়া। পরে আছিয়া তার বাপের বাড়ি থেকে আনা জিনিসপত্র নিয়ে স্বামী কবিরুল কে স্হানীয় ম্যারেজের কাছ থেকে তালাক দিয়ে তার বাপের বাড়ি চলে জায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার প্রেমিক পলাতক ও মোবাইল বন্ধ থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। অন্যের সংসার ভাঙ্গার দায়ে প্রেমিক যুবককে আইনের আওতায় আনা হবে বলে যানা জায়।
CBALO/আপন ইসলাম