বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
নির্বাচন সামনে রেখে গোপালপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, উপজেলা প্রশাসনের জরুরী মিটিং  গোপালপুরে সেচ মিটার চুরি সদস্য আটক করেছি জনতা- বোরো চাষ হুমকিতে, চোর চক্রের বিরুদ্ধে কৃষকদের ক্ষোভ শওকত মোমেন শাহজাহানের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানালেন নাজমুল হাসান ব্যস্ত নওয়াপাড়ার অদেখা দখলচিত্র ফুটপাথ থেকে রেললাইন, নূরবাগ এলাকায় ভাড়া নিচ্ছে কে? ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবন, স্মৃতিতে অমলিন, অশ্রুসজল বিদায়ে বিদায় নিলেন শিক্ষক শ্রীদাম চন্দ্র দাস রাণীনগরে আগুনে দগ্ধ গৃহবধূর লাশ উদ্ধার আটঘরিয়ায় মহিলা দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সহিংসতা প্রতিরোধে রাজশাহীতে ব্লাস্ট ও লফসের জেন্ডার সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

সেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ ভোগান্তি দূর হল ২০ হাজার মানুষের

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ

মুহাইমিনুল (হৃদয়) টাংগাইল সংবাদদাতা :
এপারে ভূঞাপুর-ওপারে কালিহাতী। দুই উপজেলার উত্তরপ্রান্তে আমুলা দহ ভরাট-দিঘীকাতুলী, জাবড়াজান গ্রামের সংযোগ রাস্তা।
প্রায় ২০ হাজার মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম এই রাস্তা। বন্যায় ভেঙে যাওয়ায় যোগাযোগ বন্ধ হয়। ভাঙন রাস্তায় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করতে শতাধিক শ্রমিক সেচ্ছাশ্রমে ২ দিন কজ করে নির্মান করেন এই সাঁকো। এ সাঁকোতে দুই পাড়ের মানুষদের যাতায়াতে সাময়িক সুবিধায় সৃষ্টি হয়ে আবারও মেলবন্ধন। ভোগান্তিতে পড়া মানুষদের মাঝে স্বস্তির নিশ্বাস। উপজেলার মানুষদের মেলবন্ধনে এ রাস্তা ছাড়া কোন বিকল্প রাস্তা নেই। আবার রাস্তার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ছোট খাল। এটা যুক্ত হয়েছে ধলেশ্বরী নদীতে। সড়ক দিয়ে দুই প্রান্তের কয়েক গ্রামের শত শত মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকেন। রাস্তার পাশেই গড়ে উঠেছে অসংখ্য মসজিদ, মন্দির ও সরকারি-বেসরকারীসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
সম্প্রতি টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি কয়েক দফায় বৃদ্ধিতে ভূঞাপুর, কালিহাতী, টাঙ্গাইল সদর উপজেলাসহ জেলার বেশ কয়েকটি উপজেলায় ব্যাপক বন্যা দেখা দেয়। এতে করে নিমাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে অনেক এলাকার রাস্তা-ঘাট ও ব্র্রিজ-কালভার্ট ভেঙে যায়। এর ফলে মানুষদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
এ বছর ভয়াবহ বন্যায় ভাঙনের কবলে পড়েন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের আমুলা দহ ভরাট ও কালিহাতী উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের দিঘীকাতুলী-জাবরাজান গ্রামের মানুষ। বন্যায় রাস্তাটি ভেঙে গেলে দুই উপজেলার কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ যাতায়াতে পড়ে চরম দুর্ভোগে। শুধু তাই নয়, বিকল্প রাস্তা না থাকায় উভয় পাড়ের সিএনজি, অটো-রিকশা ও ভ্যান চালকরা কর্মহীন হয়ে পড়েন যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে যাওয়ায়।
দুই উপজেলায় বিচ্ছিন্ন ভাঙন রাস্তা মেরামতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সহযোগিতা না পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন তরুণ ও যুবক সমাজ টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাংসদ ছোট মনিরকে মুঠোফোন অবগত করেন। পরে এমপির আশ্বাসে ও তার অর্থায়নে ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু’র সহযোগিতায় প্রায় ৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেয় সাংসদ ছোট মনির।
জানা গেছে, ভাঙন রাস্তায় প্রায় ৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাঁকো নির্মাণ ব্যয় ৪৫ হাজার টাকা, শতাধিক শ্রমিক ও সেচ্ছাশ্রমে এলাকার তরুণ ও যুবকরা ২ দিনে নির্মাণ করতে সক্ষম হয়। এতে করে পূর্বের মতো দুই উপজেলার মানুষের মাঝে দীর্ঘ ১ মাস পর স্বস্তি ফিরে এসেছে।
এ বিষয়ে আমুলা দহ ভরাট গ্রামের সেচ্ছাসেবী যুবক মো. শরীফ ইসলাম, নজরুল ইসলাম ও জহিরুল ইসলাম বলেন- ‘বন্যায় রাস্তাটি ভেঙে যায়। ফলে আমাদের কয়েক গ্রামের মানুষদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। পরে এমপি মহোদয়কে অবগত করলে দ্রত সময়ে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেন। এ জন্য গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে এমপি মহোদয় ও ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু ভাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে রাস্তাটি পাকাসহ বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে একটি ব্রিজে নির্মাণের দাবি জানান।’
এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু জানান- ‘ভাঙন কবলিত ওই আমুলা দহ ভরাট ও দিঘীকাতুলী রাস্তার দুই উপজেলার কয়েক গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল। তা বন্যায় ভেঙে গেলে ভোগান্তিতে পড়েন হাজার হাজার মানুষ। স্থানীয়রা রাস্তায় ব্যাপারে জননেতা ছোট মনির এমপিকে জানান। পরে এমপি’র নির্দেশে ও তার অর্থায়নে মানুষদের যাতায়াতের সুবিধায় উপজেলার আমুলা দহ ভরাট এলাকায় একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।’
#CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর