সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

ই-পেপার

/ অন্যান্য
শেষ শীতের হিম-শীতল কামড় ক্ষত-বিক্ষত করে হাড় গোড়; চামড়া ছিঁড়ে-ফেটে হয় চৌচির! হাওয়ার দিক ঘুরতে রুগ্ন প্রকৃতি, হয়ে ওঠে সবুজ সতেজ। বসন্ত বাসন্তিকে পাখির সুমিষ্ট কণ্ঠে করে মত্ত! হরেক রকম আরোও পড়ুন...
মনের আনন্দ লাভে বইয়ের ভূমিকা অনন্য। কেননা, বইয়ের জগতে রয়েছে নানান বিষয় আর বৈচিত্র। পাঠক বই পড়ে থাকে তার রুচি মাফিক। বই পড়তে নেই কোনো বিধিনিষেধ। একই বিষয়, কিন্তু তারমধ্যেও
ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সময় জ্ঞান না থাকার অভিযোগ করেছেন গণমাধ্যামকর্মী, জনপ্রতিনিধি, পুলিশ প্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা। শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলরুমে সকাল সাড়ে ১০টায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সম্পর্কে
শীতের উগ্রতায় ক্ষত-বিক্ষত রুগ্ন প্রকৃতি। মাঠ ঘাট শস্য-শ্যামলে ঘেরা। বসন্তের আগমনে ছুটে আসে দক্ষিণা হাওয়া।বসন্তের হাওয়া পেয়ে ঝরে পড়ে বৃক্ষের রুগ্ন শুষ্ক পাতা। গাছের তলে পাতা কুড়ানি দের ধুম পড়ে
কোরান হাদিস ফিকাহ দর্শন কবিতা নাটক উপন্যাস গল্প ছড়ার বই, ছাত্রাবস্থায় সবাই তারে পড় লিখো বারেবারে বানাও যদি সই। করলে সাথি বইটাকে ভাই ধরায় সুখের জীবনটা পাই পড়লে বুঝে বই।
এলো যে লগন বসন্তের রানী রূপের পেখম তুলে, কোকিল ডাকে শিমুল ডালে পলাশের গন্ধ মেখে। ফাগুনের রং লেগেছে ফুল ফুটিয়ে তরুর শাঁখে, ভোমরেরা যায় নাচিয়ে গুনগুনিয়ে ফুলে ফুলে। পাখিরা কাকুলিতে
সারা রাতে ঘুম নেই কখন হবে ভোর? কোয়েলের কুহুতানে খুলিবো দোর। গাঁদা পলাশ শিমুল কৃষ্ণচূড়া ডালে, শহিদ রক্তের স্মৃতি মর্মে অগ্নি জ্বালে। আটই ফাগুন এলে মনে পড়ে যায়, সালাম বরকত
বাংলা ভাষায় কথা বলি বাংলায় উঠি বসি, বাংলা ভাষা সবার সেরা যেনো হীরের রশি। বাংলায় করি লেখাপড়া বাংলায় করি খেলা, বাংলা আমার প্রাণের ভাষা করি না কেউ হেলা। বাংলায় করি