জামালপুরের বকশীগঞ্জে দশানী নদীতে নিখোঁজ হওয়া মেহেদী হাসান মুরাদের (৭) লাশ ২০ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে মেরুরচর ইউপির টুপকারচর ব্রিজের পাশে দশানী নদী থেকে মুরাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশু মুরাদ মেরুরচর ইউপির নতুন টুপকারচর গ্রামের শাহীন মিয়ার ছেলে।বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তুহিনুল হক জানান, শনিবার দুপুরে বাবা শাহীন মিয়ার সঙ্গে টুপকারচর ব্রিজের পাশে একটি ধান ক্ষেত দেখতে যায় মুরাদ। বিকাল ৩টার দিকে বাবার অগোচরে স্থানীয় কয়েকজন ছেলের সঙ্গে ক্ষেতের পাশেই দশানী নদীতে গোসল করতে যায়।এক পর্যায়ে সে নদীতে নিখোঁজ হলে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পেলে জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দলকে খবর দেয়া হয়।জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দলের লিডার ছানোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি ডুবুরী দল বিকেল ৫টা থেকে শনিবার রাত ৮ পর্যন্ত নদীতে খোঁজাখুঁজি করে পায়নি।পরদিন সকাল ৭টা থেকে ওই ডুবুরী দল আবার উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করলে রোববার সাড়ে ১১টার দিকে শিশু মুরাদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। এদিকে শিশু মুরাদের মৃত্যুর পর থেকে তার পরিবারে শোকের মাতম চলছে।বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সোহেল রানা ২০ ঘণ্টা পর শিশু মুরাদের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।