রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন

ই-পেপার

সাতক্ষীরায় মন্দিরের সভাপতিকে অর্থ আত্মসাৎ এর নামে সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করার অভিযোগ

এম ইদ্রিস আলী, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১১ জুলাই, ২০২৩, ১০:২৮ অপরাহ্ণ

সাতক্ষীরার সদর উপজেলা ঝাউডাঙ্গা ইউনিনের জোড়া শিব মন্দিরের সভাপতি মনোরঞ্জন, চিত্তরণ্জন দাশ, বাদল চন্দ্র দাশ কে নিয়ে মিথ্যা অর্থ আত্মসাৎ ও নানা অনিয়মের অভিযোগে সমাজিক ভাবে হয়রানি ও সমাজের কাছে হেও প্রতিপন্ন করার কাজে লিপ্ত রয়েছে এলাকার একটি স্বার্থন্বেশী মহল। সরেজমিনে যেয়ে অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায়, মনোরঞ্জন দাশ, বাদল চন্দ্র দাস মন্দির দেখাশুনার দায়িত্বে আছেন। মন্দিরের আয়ের উৎস বলতে তেমন কিছু নাই। চলতি বছর জেলা পরিষদ কতৃক পুকুরটি উন্মক্ত জলাশয় হিসেবে মন্দিরের তত্বাবধানে দেয়। পুকুর ও মন্দির সম্পর্কিত সকল কাজকর্ম হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন নিয়ে করা হয়। চলতি বছরে পুকুরে মাছ দেওয়া হলেও পুকুর থেকে আশানুরূপ কোন টাকা আয়-রোজগার হয় নাই। মন্দিরের বর্তমান সভাপতি মনোরঞ্জনের বিরুদ্ধে মন্দিরের টাকা আত্মসাৎ,লুটপাট করার অভিযোগ দিয়ে যে মানব বন্ধন করেছেন। সেটি মুলত জৈনক সুফল কুমার তার নিজ আক্রোশ থেকে করেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। সুফল কুমার জেলার ঐতিহ্যবাহী জোড়া শীব মন্দির-টি ধ্বংস করার পাইতারা করছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসী। সভাপতি মনোরঞ্জন দাশ আরো জানায় সুফল কুমারের চাহিদা মত পুকুরের মাছ না দেওয়ায় তার ব্যক্তিগত আক্রোশে মনোরঞ্জন ও বতর্মান কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে এলাকার কিছু লোকজন নিয়ে নামমাত্র মানববন্ধন এর আয়োজন করায়। এ বিষয়ে জোড়া শীব মন্দিরের সভাপতি মনোরঞ্জন দাশ বলেন,সাতক্ষীরার জেলার ঐতিহ্যের নিদর্শন ও হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা অর্চণার মন্দির, জোড়া শীব মন্দির টি অযন্তে অবহেলায় নস্ট হয়ে যাচ্ছিল। আমি একটা বিশেষ কারনে মন্দিরের কাজ গুলো স্বইচ্ছায় করতে থাকি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মন্দির টি সংরক্ষণ ও সংস্কারের অনেক কাজ দায়িত্বের সাথে করেছি। আমার আশ পাশের সকল হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন নিয়ে কাজ করি তারা আমাকে কাজে সাহায্য করেন। মন্দিরের সম্পত্তির ভেতরে বড় একটি কুকুর আছে ওই পুকুরে এলাকাবাসী গোসল করে এবং মন্দির উন্নয়নে কাজ করার জন্য পুকুরে মাছ দেওয়া হয়। মাছ দেওয়া এবং মাছের খাদ্য দিয়ে পুকুরের পানি অপরিষ্কার করার কথা শোনা যায়। তখন আমরা সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক পুকুরের পানি গোসলের উপযোগী করে রাখি। মন্দির সংলগ্ন পুকুরে এলাকাবাসি গোসল করার জন্য বিশুদ্ধ পানি পাওয়ার ব্যাবস্থা করি। আমি ধর্মভীরু মানুষ এই মন্দিরে পূজা অর্চনা করি।আমার সাথে গ্রামের কোন মানুষের বিরোধ বা মনোমালিন্য নেই, অথচ সুফল কুমারের চাহিদা মতো মাছ না দিতে পারায় আজ আমাকে নিয়ে মন্দিরের টাকা আত্মসাৎ বিভিন্ন অনিয়ম এর নামে কিছু স্বার্থনেশি মহল দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাকে জড়িয়ে দিয়ে মিথ্যা মানববন্ধন করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছে। সুফল কুমার আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করলেও আমি মন্দিরের সামনে তাকে কোনো কথা বলিনি। অথচ বেশি পরিমাণ মাছ না দেওয়ায় আমার বিরুদ্ধে সে উঠে পড়ে লেগেছে আমি দীর্ঘদিন ছয়ঘরিয়া জোড়া শীব মন্দিরের দেখভালের দায়িত্ব পালন করছি। আমি কখনো কোন অনিয়ম সাথে জড়িয়ে থাকেনি আর আর কখনো অন্যায় কোন কাজ করবো না। আমাকে ও কমিটির সদস্যের নিয়ে যারা সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে তদন্ত করে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর