সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার পল্লীতে পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ার কারণে মালয়েশিয়া প্রবাসী হোসেন আলী নামে এক ব্যক্তিকে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে কলারোয়া উপজেলার ১ নং জয়নগর ইউনিয়নের ৭,৮ ও ৯ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রেখা আলমগীর এর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে ঐ ইউনিয়নের নীলকন্ঠপুর গ্রামে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ঐ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে। ভুক্তভোগী ঐ গ্রামের মৃত সামাদ গাজীর পুত্র হোসেন গাজীর স্ত্রী তাছলিমা জানায় আমার স্বামী একজন সৎ চরিত্রের অধিকারী সে সংসারের উন্নতির জন্য ২০১৩ সালে মালেশিয়া যায় পরে কয়েক বছর পর বিগত ২০১৯ সালে মাত্র কয়েক মাসের জন্য বাড়িতে আসে। তখন বর্তমান মহিলা ইউপি সদস্য এই গ্রামের আলমগীর এর স্ত্রী রেখা আলমগীর কয়েকদফা আমার স্বামীর নিকট থেকে প্রায় ১১ লক্ষ টাকা ধার হিসাবে গ্রহণ করে এবং কয়েক মাস পর আমার নিকট উক্ত টাকা ফেরত দিবে বলে অঙ্গীকার করে। তখন রেখা আলমগীর ও তার স্বামী ১শত টাকার তিনটি ননজুডিশিয়াল স্টাম্পে স্বাক্ষর করে টাকাগুলো গ্রহণ করে। পরবর্তীতে আরো ৪ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। বিভিন্ন পর্যায়ে সর্বমোট প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। যাহার স্টাম্প নং-কহ-৯৪১০৭২৭, কহ-৯৪১০৭২৮, কহ-৯৪১০৭২৯। পরবর্তীতে আমার স্বামী গত ৩রা জুলাই বিদেশ থেকে বাড়িতে ফিরে রেখার কাছে উক্ত পাওনা টাকা চাহিলে প্রথমে হুমকি ধামকি দেয় এবং পরবর্তীতে আমার স্বামী সহ ০৩ জনের নামে কলারোয়া থানায় একটি নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করে। যাহার মামলা নং-০৩/২৩, তারিখঃ ০৭/০৭/২০২৩, ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন সংশোধিত এর ৯(৩) ধারায় এই মামলাটি দায়ের করে। উক্ত ইউপি সদস্য শুধু মামলা করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, তার পোষ্য বাহিনী দিয়ে আমাদের প্রতিনিয়ত বিভিন্ন হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী হোসেন আলীর চাচা রওশন আলী গাজী জানায় এই মামলার বাদী সম্পর্কে আমার বউমা। কিন্তু তার চরিত্র ও মন মানষিকতা এতই নোংরা যে সে টাকার জন্য সব কিছুই করতে পারে। আর আমার ভাইপো হোসেন আলীকে তার পাওন টাকা পরিশোধ করবে না বলে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাকে হয়রানি করছে। এ বিষয়ে জানার জন্য ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশাখার কাছে কয়েকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোনটি ধরেন নি।