বান্দরবানের আলীকদমের চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ডাকাতটা ঝিরি (১নং ওয়ার্ড) এলাকায় ভোর রাতে বাড়িতে প্রবেশ করে হামলায় সালেহ আহমেদ (৩৬) প্রকাশ আবু নামে যুবককে মারধরে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাড়িতে থাকা তার স্ত্রী সোলতানা আসমা মিনুও আহত হয়েছেন। শনিবার (১জুলাই) ভোর রাতে সাড়ে ৫ টায় বর্ণিত স্থানে ও হাতপা বেধে অভিযুক্তদের বাড়ির গোয়াল ঘরেও দুই দফায় ব্যাপক মারধর করেন। এতে তার অতিরিক্ত শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্ত হরণ হওয়ায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
৬/৭ জন মিলে জমি বিরোধে এর ডাকাতটা ঝিরি (১নং ওয়ার্ড) এলাকায় আবু ছালেহ আবু (৩৫), পিতা সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবককে ভোরে বাড়িতে প্রবেশ করে লোহার রট,হাটুড়ি ও লাটি দিয়ে হামলায় গুরুতর আহত করে এবং চকরিয়া সরকারি হাসপাতাল হতে কক্সাবাজার মেডিকেল এ রেপার করে। চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের সীমাতলীস্থ ডাকাতত্তা ঝিরি এলাকায় ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে ও বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, জায়গা জমি বিরোধের জের ধরে গত তিন বছর ধরে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল প্রতিপক্ষরা। শনিবার (১জুলাই) ভোর সাড়ে ৫ টায় বর্ণিত চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড সীবাতলীস্থ ডাকাতত্তা ঝিরি স্থানের বাড়ি পূর্ব শত্রুতার জেরে বাড়িতে প্রবেশ করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পার্শ্ববর্তী সীবাতলী পাড়ার আনোয়ার হোসেন(৫২),তার স্ত্রী শাহানা বেগমসহ তার ছেলেরা সাহাদাৎ (৩০), (সাহাদাৎ আলীকদম ভূমিএর স্টাফ)মোঃ ইসমাইল (২২).বাহাদুর (৩৭), ফাতেমা বেগম (মিনু) (২১) সংঘবদ্ধ হয়ে ৭/৮ হামলা করে এতে ভিকটিম আবু সালেহ মাথায়,পিটে মেরুদন্ড,বুকে ও দুই পায়ে গুরুতর গুরুতর আহত করলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।
পরে তার স্ত্রী আকুতি মিনতি করে গোয়াল ঘর থেকে উদ্ধার করে গাড়িতে পার্শ্ববর্তী লামা সদর হাসপাতাল ও চকরিয়া হাসপাতালেও চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানে প্রতিপক্ষের আত্মীয়রা যথা সময়ে চিকিৎসা নিতে দেয়নি। পরে বিকালে গাড়িতে করে নিয়ে কক্সবাজার সরকারি হাসপাতালে সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। সেখানে এখনও চিকিৎসাধীন আছেন ভিকটিম।
সেখান থেকে চকরিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার প্রেরণ করেন
বর্তমানে সে সেখানে ভর্তি আছেন।
আহত সালেহ আহমেদ আবু জানান,তার বিরোধীয় জায়গা দখল নিতে ও হত্যার উদ্দেশ্যে তারা এ হামলা করেছে বলে জানান ভিকটিম। আশপাশে প্রতিবেশী বাড়ির দূরে থাকায় ও স্বামী স্ত্রী দুজন ছিল বাড়িতে সে সুযোগে তারা হামলা করে।
এদিকে ঘটনার অস্বীকার করে অভিযুক্ত আনোয়ার ও মোঃ সাহাদাৎ জানান, আমরা হামলা করিনি এটি তাদের পারিবারিক বিরোধে হতে পারে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুইজন প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিবেশি জানান, ফজরে আযানের পরপরই “আমাকে বাঁচাও, বাঁচাও ” কান্নার শব্দ শুনে গিয়ে দেখি ভিটটিম লাঠি বাড়ির ভেতরে দরজা বন্ধ করে মারধর করছে। পরে হাত পা বেধে অভিযুক্তদের বাড়ি নিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৈক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন বলেন, আমি পরে মাধ্যমে শুনেছি। এক্ষেত্রে তার চিকিৎসা নিতে বলেছি। পরে উভয় আমাদের কাছে আসলে সমাধান করার চেষ্টা করব।
ছবিঃ ভিকটিম এর ছবি, তালাবদ্ধ বাড়ি,জায়গা ও মোটর সাইকেল।