লামার পার্শ্ববর্তী চকরিয়ার বমু বিলছড়ি ইউনিয়নের বিলছড়ি দারুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আলী হোসানইনকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিধিসম্মত হয়নি বলে বিবৃতি দিয়েছেন অত্র প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিচালক মাওলানা আলী হোছাইন। শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) সকালে কওমী মাদ্রাসার নজরদারির নীতিমালার বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়,বিলছড়ি দারুল উলুম মাদ্রাসাটি একটি কওমী প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। সরকার কওমী মাদ্রাসাগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়ায় কতগুলো নিয়মকানুন রয়েছে।
কওমী পটিয়া শিক্ষা বোর্ডের ইত্তিহাদ এর সুরা কমিটি রয়েছে। এ কমিটির সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল্লাহ হাফজা।সেক্ষেত্রে বর্ণিত বিলছড়ি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি ০৫/০৬/২০২২ ইং বিলুপ্ত ঘোষণা করে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। আবার উক্ত কমিটি ২০/০৬/২২ ইং, একটি ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে সেখানে ছিলেন, ফাঁসিয়াখালী মাদ্রাসা পরিচালক মাওলানা আব্দুল মান্নান, মাষ্টার আবুল কালাম,মাওলানা তমিজ উদ্দিন।
সুরা কমিটির নির্দেশনা ছাড়া আহবায়ক কমিটি তদন্ত কমিটি দিতে পারে না। এটি নিয়মবহিভূত। আরও এ কমিটির তদন্ত রির্পোটে পরিচালক এর বিরুদ্ধে কোন অনিয়ম ও দূর্নীতি পায়নি বলে প্রতিবেদন দেন।
আবার সুরা কমিটি এসে তদন্ত কমিটিতে ২ জন দেন ফাইতং মাদ্রাসার মাওঃ সরোবর ও বোকারী মাদ্রাসার মাওঃ মনিরুল্লাহ। সে বিষয়ে তারাও তদন্তে কোন অনিয়ম পায়নি মর্মে প্রতিবেদন দেন।
উক্ত তদন্ত কমিটি ব্যতিরেখে,পাশকাটিয়ে আহবায়ক চকরিয়া সমাজ সেবা অফিসার,চকটিয়ার তদন্ত করে অনিয়ম প্রমাণ পেয়েছেন বলে ,অব্যাহতির সিদ্ধান্ত গতকাল বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ ফেইজবুক থেকে পরিচালনা কমিটি অব্যাহতি পত্র প্রচার করছে।
যাত্রা যা দৃষ্টিগোচরে নিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়নি, কারণ অব্যাহতির সিদ্ধান্ত সুরা কমিটি ছাড়া অন্য কেউ দিতে পারে না।
সেক্ষেত্রে এ প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিচালক,মুহতারাম মাওলানা আলী হোছাইন এখনও স্বপদে বহাল আছেন বলে জোর দাবী করেন।