সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
সলঙ্গায় নেশা জাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার চৌহালীতে রেহাইপুকুরিয়া আদর্শ মহাবিদ্যালয় ভবন সংকটে অনিশ্চিতে ৩’শ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ  অভয়নগরে বারবার অভিযোগ, তবুও নিরব প্রশাসন, হামিদ মেমোরিয়াল (প্রা.) হাসপাতালে আর কত মৃত্যু? এমপি হিসেবে নয়, জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই- নবনির্বাচিত এমপি লাভলু চাঁদাবাজ ধরিয়ে দিলেই পুরস্কার: কক্সবাজারে নবনির্বাচিত এমপি লুৎফুর রহমান কাজলের ঘোষণা অভয়নগরে প্রশাসনের চোখের সামনেই মাদকের রমরমা বাণিজ্য পাবনা-৩ আসনে পুনরায় ভোট গণনার দাবি, ডিসি অফিস ঘেরাও করে বিএনপির বিক্ষোভ আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করবোনা , কাহাকেও প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে দিবনা- ব্যারিষ্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির

পঙ্গু রহিম মিয়াকে মুদি দোকান উপহার দিলেন সামাজিক সংগঠন জাগ্রত সিক্সটিন

কায়সার আহম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২২, ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ

আজ ১৮ নভেম্বর ২০২২ সকাল ১০ টায় কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাধীন স্থানীয় সামাজিক সংগঠন জাগ্রত সিক্সটিন, পঙ্গু রহিম মিয়ার আত্ম-কর্মসংস্থানের জন্য একটি মুদি দোকান করে দিয়েছেন।
কর্মহীন মানুষের আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করে দেওয়া অন্যতম সামাজিক সংগঠন কুমিল্লার জাগ্রত সিক্সটিন। করোনাকালীন সময়ে চাকরী হারানো কয়েক হাজার পরিবারকে (চাল, ডাল, তেল, লবণ, পেয়াজ, আলু অর্থাৎ চার সদস্য বিশিষ্ট পরিবারে প্রায় এক মাস চলবে এমন একটি পেকেট) খাদ্য যোগান দিয়ে সহযোগিতা করেছেন সংগঠনটি। কোরবানীর ঈদে গরু কোরবানী করে দূস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ, বৃক্ষরোপনসহ আরো অনেক সামাজিক কার্যক্রম করেছেন। পরর্বতিতে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. রাশেদুল আলম রাশেদ খাদ্যের পরির্বতে অসহায় পরিবারের জন্য ঘর করে দেয়া এবং কর্মহীন মানুষকে অটোরিকশা, সেলাইমেশিন ও মুদিদোকান দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় সারা কুমিল্লায় জাগ্রত সিক্সটিন সংগঠনের সুনাম ছড়িয়ে পড়ে, এভাবেই সংগঠনের সদস্যরা দূস্থ ও অসহায় মানুষের কল্যাণে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। পঙ্গু রহিম মিয়া দীর্ঘ আঠারো বছর ধরে পত্রিকায় হকারের কাজ করতেন, ১৯৯৪ সালে এক মর্মান্তিক দূর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে চট্টগ্রাম থেকে নিজ গ্রামে ফিরে আসেন রহিম মিয়া। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাধীন নহল গ্রামে। দূর্ঘটনার পর সুস্থ্য হয়েই রহিম মিয়া পত্রিকা বিক্রি করে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতেন। করোনা নামক অদৃশ্য থাবার ছুবলে মূহূর্তের মধ্যেই অন্ধকার নেমে আসে সারা বিশ্বব্যাপি। ব্যতিক্রম কিছু ঘটেনি রহিম মিয়ার সংসারেও। করোনা নামক এই অদৃশ্য ছুবল তার এই কাজটিও বন্ধ হয়ে গেলো। রহিম মিয়া অসহায় অবস্থায় কাজের সন্ধ্যান করছেন, কিন্তু একজন পঙ্গু দিনমজুর কে কাজে নিতে চায় না কেউ। যে কারণে, রহিম মিয়া বাধ্য হয়ে জাগ্রত সিক্সটিন সংগঠনের সাহায্যের আবেদন করেন। পঙ্গু রহিম মিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংগঠনের সদস্যরা সরেজমিনে গিয়ে দেখেন রহিম মিয়া দিনাতিপাত করছেন খুবই কষ্ট করে, কখনো একবেলা খেয়ে আবার দুইবেলা না খেয়ে কাটিয়ে দিচ্ছেন। পরর্বতিতে জাগ্রত সিক্সটিন সংগঠন রহিম মিয়ার ঘঠনার সত্যতা পেয়ে তার জন্য একটি মুদিদোকান তৈরি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আজ রহিম মিয়ার হাতে মুদি দোকানের চাবি বুঝিয়ে দিয়ে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করেন সংগঠনের সদস্য ও এলাকার সর্বসাধারণ।
মুদিদোকানের চাবি বুঝিয়ে দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, মনিরুল ইসলাম, কামরুল হাছান,মনিরুল ইসলাম মোল্লা,আনিছ মীর,আক্তার ভূঁইয়া, আরিফ মোল্লা,সোহেল ভূঁইয়া,রিমন ভূঁইয়া,সাইজুদ্দিন,ওমর ফারুক, তানভীর, ফয়েজ,জাহিদুল ও ইসহাক প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর