শেরপুর সদর উপজেলার ৫নং ধলা ইউপি সদস্যরা অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে পরপর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন এর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দেওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণ প্রতিবাদ জানিয়ে গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে ইউপি ভবনের সম্মুখে বিক্ষোভ করেছেন। সেইসাথে ওইসব মেম্বারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তারা অনুরোধ জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা জনান, ধলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন দায়িত্ব পাওয়ায় পর থেকেই এলাকার উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে একটি কুচক্রী মহল সেটি সহ্য করতে পারছেন না তাই তারা একের পর এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছেন। মিথ্যা অভিযোগ এনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কতিপয় কিছুলোক মানববন্ধন করেছেন যেটি সম্পূর্ন সাজানো। ইতিমধ্যে ওইসব মেম্বার এবং ষড়যন্ত্রকারীদের লালকার্ড দেখিয়েছে ধলা ইউনিয়নের সচেতন মহল।
তারা আরও বলেন, ইউনিয়ন বাসীর উন্নয়নের সার্থে চেয়ারম্যান জাকির হোসেন এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে নয়তো জনসাধারণ ওইসব ষড়যন্ত্র কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর অনাস্থা দেওয়ার বিষয়টি জানতেননা বলে মুঠোফোনে স্বীকার করেছেন একাধিক ইউপি সদস্য। তবে চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে ওইসব মেম্বারগণদের মানববন্ধনে অংশ নিতে দেখা যায়। এনিয়ে আলোচনা সমালোচনা চলছে এলাকাজুড়ে।
তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে ওই চেয়ারম্যান বলেন, কতিপয় মেম্বাররা বিভিন্ন কাজ কর্মে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছে। যার কোনটার সততা নেই। যদি কখন তদন্ত হয় তাহলে সত্যটা বেড়িয়ে আসবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস অনাস্থা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, যদি ১০ কার্যদিবসের মধ্যে চেয়ারম্যান মেম্বারগণ কোনো সমঝোতায় না আসেন সেক্ষেত্রে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।